বিবৃতি মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন বলেছে, সব গণমাধ্যম কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকার এবং বড় ধরনের জনসমাবেশ এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পত্রিকা অফিসে হামলা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা। তবে এগুলো করে গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগে থেকেই চিহ্নিত জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা উচিত ছিল।’
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজশাহীতে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে দেশে নিয়ে আসা হচ্ছে ওসমান হাদির মরদেহ। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সিঙ্গাপুর স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ফ্লাইটটি রওয়ানা হয়েছে। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ফ্লাইটটির অবতরণের কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, মৃত্যুঞ্জয়ী হাদির মৃত্যুতে কোনো সাংস্কৃতিক সংগঠনে হামলা কেবল একটি ফৌজদারি অপরাধই নয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনারও পরিপন্থি। এ নিন্দনীয় ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়েও সরকার কাজ করছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ ঘটনার পর থেকে রাজধানীজুড়ে অনেকটাই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বঘোষিত দুই কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সেচ ভবনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কর্মসূচি এবং বিকেল ৪টায় কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনের সামনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কর্মসূ
তিনি বলেন, ‘ভারতীয়দের বিরুদ্ধে এবং যাদের ভারতপন্থি বলে মনে করা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে যে ধরনের বৈরিতা উসকে দেওয়া হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
তিনি বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। যতক্ষণ পর্যন্ত বিচার না হবে, ততক্ষণ আমরা থামব না। আমাদের কোনোভাবেই সান্ত্বনা দেওয়া যাবে না। কারণ আমরা যে হাদিকে হারিয়েছি, সেই হাদির আর ৫৫ বছরে জন্ম হবে না।