এ ছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট), কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এবার বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, এপিসি ও আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ
আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাকিবুল হাসান।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমরা যখন জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দেশ গড়ার উপায় নিয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছি, তখন ভূ-রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা তার এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে বলে সাধারণ মানুষ
সংগঠনটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে— ঋণখেলাপিরা যেন আদালতের নির্দেশনা ছাড়া বিদেশ যেতে না পারেন, পাশাপাশি তাদের নাম-ছবি প্রকাশেরও অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তারা যাতে কোনো ব্যবসায়ী সংগঠনের নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, এ দাবিও তুলেছে সংগঠনটি।
পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘কুমিল্লাকে বিভাগ হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য গত দেড় বছরে যত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রয়োজন, সব প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে। শুধু একটি ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র। ১১ দলীয় ঐক্য জোট ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে বিভাগ ঘোষণা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।’
এ সময় প্রখ্যাত ফার্সি কবি শেখ সাদীকে উদ্ধৃত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, আমি শেখ সাদীর কবিতার একটি লাইন বলতে চাই— ‘বা আদব বা নসিব, বে আদব বে নসিব’। অর্থাৎ, আদব-কায়দা থাকলে কপাল ভালো থাকে, আর বেয়াদব হয় হতভাগা, তাদের কপাল সবসময়ই খারাপ থাকে।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়সহ ব্যাংকের অন্যান্য করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি ও এডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দীনের সই করা এক নোটিশে জামায়াতের এই প্রার্থীকে শোকজ করা হয়।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি আজ মিডিয়ার সামনে বলে গেলাম, বাংলাদেশে যদি ক্রিমিনাল র্যাংকিং করা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অন্যতম গডফাদার ও ক্রিমিনাল নম্বর ওয়ান মির্জা আব্বাস। আজ আমি বেঁচে আছি, বলে গেলাম। মরার পরে আপনারা প্রমাণ পাবেন, বাংলাদেশের এক নম্বর ক্রিমিনাল মির্জা আব্বাস।’
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষপাতিত্ব করবে না, দেশটি থাকবে জনগণের পক্ষে— এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।