নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শিপন বাহিনী ও রিফাত বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির ভাগাভাগি নিয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২ অক্টোবর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি সংগঠন ও গোষ্ঠী একযোগে কর্মসূচি শুরু করে। এতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় রাজধানীর কোথাও কোথাও ব্যাপক জনভোগান্তি ও তীব্র যানজট তৈরি হয়।
বিবৃতিতে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বা ‘একাত্তরের হত্যাযজ্ঞে সম্পৃক্ততা’ সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক হীনমন্যতা থেকেই বিভিন্ন সময়ে কেউ কেউ এমন অভিযোগ করে থাকেন।
বিবৃতিতে বিএনপি বলছে, এ ধরনের ভিডিও শুধু অসত্যই নয়, এটি সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই মহাসচিবের নাম ও ছবি ব্যবহার করে এই ভুয়া ভিডিও প্রচার করা হয়েছে।
তবে শুধু এম এ কাদির ভূঁইয়াই নন, একই দলের আরও ছয়জন প্রভাবশালী ও হেভিওয়েট নেতাও পুরোদমে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এই সাতজন মনোনয়নপ্রত্যাশীই দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কর্মী-সমর্থক ও অনুসারীদের নিয়ে পুরো উপজেলা জুড়ে নির্বাচনী প্রচারণা ও সভাসমাবেশ করে চলেছেন। তাদের এই জোরদার প্রচারণার কারণে নান্দাইলে বিএনপি
রেন চেম্বার্স নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, রক্তাক্ত হাতে এক ব্যক্তি কামরার ভেতর দৌড়ে এসে চিৎকার করে বলেন, তাদের কাছে ছুরি আছে, দৌড়াও। এ সময় রেন ও তার বন্ধু ট্রেনের সামনের দিকে দৌড়ে যান এবং এক ব্যক্তিকে মেঝেতে লুটিয়ে পড়তে দেখেন।
পুলিশ জানায়, সন্দেহজনকভাবে রাজ্জাকের ছেলে আসাদকে শুক্রবারই আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে-পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
বৈঠকে এনসিপির প্রতিনিধিদলে থাকবেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক ও পলিসি অ্যান্ড রিসার্চ লিড খালেদ সাইফুল্লাহ এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।
গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা টের পেয়ে তিনজনকে ধাওয়া করে। প্রাণ বাঁচাতে তারা রাস্তার পাশের একটি পুকুরে লাফ দেয়। এসময় স্থানীয় জনতা তাদের ধরে বেধড়ক মারধর করে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান আরও একজন।
শনিবার এক বিবৃতিতে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর জানায়, ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ হাজার ২০৩টি বাণিজ্যিক ও ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১৪৫টি ট্রাক প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে। যা যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে নির্ধারিত দৈনিক ৬০০ ট্রাকের মাত্র ২৪ শতাংশ।