বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, ঠিক সময়ে নির্বাচন হবে কি না। বর্তমান পরিস্থিতির ফলে কোনো অপশক্তির কাছে বিনা শর্তে আত্মসমর্পণের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপির বিজয় ঠেকাতে দেশে সংঘাত, অপপ্রচার ও অপকৌশল চলছে।’
রোববার (২ নভেম্বর) দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনের সই করা ওই চিঠি পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দপ্তরে। চিঠিতে উপদেষ্টার অবস্থানকে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা ও দায়বদ্ধতার পরিপন্থি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলার ঐক্য না হওয়ার একটা প্রধান কারণ হচ্ছে চেয়ারে কে আগে বসবে কে পেছনে বসবে। সংস্কারটা কত কঠিন বুঝতে পারছেন? অনেকে বলেন লৌকিক সংস্কারের লাভ কী? সংস্কার তো এভাবে একটা দুইটা করেই করতে হবে। দল যদি সংস্কার না হয়, রাজনীতি কীভাবে সংস্কার হবে?
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি কয়েকটি সম্ভাব্য সময়ের কথা বলে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থার পরামর্শও পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপর ফেব্রুয়ারি মাসেই মেলা আয়োজনের প্রস্তাব সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাস্তবসম্মত বলে গৃহীত হয়।
এতে আরো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও আহতদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ছাড়া জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কেও কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ আমরা এখনও প্রত্যক্ষ করিনি।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বিএনপির সঙ্গে কোনো ঝগড়ায় লিপ্ত হতে চায় না। যা-ই করতেছেন এবার বন্ধ করুন। আসুন আমরা একসঙ্গে বসি। দেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করি। বিএনপিকে আহ্বান করবো একসঙ্গে বসার। আমরা আলোচনা করবো কীভাবে সত্যিকার অর্থে একটা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ তৈরি হবে।’
এর আগে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘আমরা শাপলা কলি নেব। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ এবং শাপলা কলির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।’
তিনি বলেন, দেশে এখন ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৪ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৩৮২ আর নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৭২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩০ জন।
এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১১৬২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৭৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৬১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৭৫ জন, খুলনা বিভাগে ১৫৪ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে
চলতি নভেম্বর মাসে দেশে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া চলতি মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।