আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন)। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় ট্রফিটি তিনি উন্মোচন করেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায়ের আগের রাতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো ঘটে। তবে এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গণভোটের ব্যালটে থাকা একই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে চারটি বিষয়ে মতামত জানানোর প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আলাদা করে। অনলাইন-অফলাইনে অভিমত এসেছে, একই প্রশ্নে চার বিষয়ের উত্তর দেওয়ার যে ব্যবস্থা গণভোটে রাখা হয়েছে তা গণতান্ত্রিক ও বাস্তবসম্মত হয়নি। এই গণভোটের ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য জুলাই সনদের পুরো পড়া থা
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, নির্বাচন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টার যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেনাপ্রধান অতি দ্রুত নির্বাচন করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং জনগণের মধ্যে যে শক্তির ঐক্য দেখা গেছে তার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়ে গেছে— আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
বাংলা একাডেমি, সুপ্রিম কোর্ট, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশমুখে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
আগামীকালের রায়ের বিষয়ে আজ প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, আগামীকাল এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। আমরা আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছি এবং সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছি। আগামীকাল রায়টি বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সেই সঙ্গে বিটিভি থেকে দেশের অন্য টেলিভ
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ছাড়াও ফ্যাসিবাদ বিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আমাদের আলোচনা হয়েছে। মূলত, ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকতে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দলগুলো সব সময় পারস্পরিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।’
বহুল আলোচিত এই মামলায় পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউশন। অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়াও রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের খালাস চেয়েছেন তার আইনজীবী।