
রাজশাহী ব্যুরো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এর আগে তিনবার গণভোট হয়েছে। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের কোনো নজির নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্পষ্ট বলেছেন— একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। যারা আয়োজন করবে তারা বুঝে গেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে বিএনপি বুঝতে পারেনি। জনগণ বুঝেছে, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার নাকি এখনো বুঝতে পারেনি!
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনরত সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, রাজশাহীর রাজপথে হাঁটার সময় বারবার মনে হচ্ছিল— এই রাজপথ বারবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। আমি হাঁটছিলাম আর স্মরণ করছিলাম, আল্লাহ ছাড় দেয়, ছেড়ে দেয় না। রাকসুর নির্বাচনে প্রমাণ হয়ে গেছে এই দেশ ইসলামের দেশ।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাগপার মুখপাত্র বলেন, আপনারা গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে চিনে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু একই গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়া জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে এখনো চিনতে পারেননি। এখনো সময় আছে— জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করুন। আওয়ামী লীগের মতোই ১৪ দল এবং জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করুন।
নিজের নির্বাচনি এলাকা পঞ্চগড়ের পরিস্থিতি তুলে ধরে রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা এক পাশ দিয়ে লাগাই, আরেক পাশ দিয়ে চাঁদা পার্টি পোস্টার ছিড়ে। আমি চাঁদা পার্টিকে বলতে চাই— ডা. শফিকুর রহমান, পীর সাহেব চরমোনাই, আল্লামা মামুনুল হকসহ আট দলের নেতাদের ছবি ও নাম পোস্টার থেকে ছিড়তে পারবেন, কিন্তু মানুষের মন থেকে মুছে দিতে পারবেন না। তাদের চাঁদাবাজির হিসাব করতে গেলে ক্যালকুলেটরে এখন আর ডিজিট ওঠে না। এভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্ভব নয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সমমনা আট দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এর আগে তিনবার গণভোট হয়েছে। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের কোনো নজির নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্পষ্ট বলেছেন— একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। যারা আয়োজন করবে তারা বুঝে গেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে বিএনপি বুঝতে পারেনি। জনগণ বুঝেছে, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার নাকি এখনো বুঝতে পারেনি!
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনরত সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, রাজশাহীর রাজপথে হাঁটার সময় বারবার মনে হচ্ছিল— এই রাজপথ বারবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। আমি হাঁটছিলাম আর স্মরণ করছিলাম, আল্লাহ ছাড় দেয়, ছেড়ে দেয় না। রাকসুর নির্বাচনে প্রমাণ হয়ে গেছে এই দেশ ইসলামের দেশ।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাগপার মুখপাত্র বলেন, আপনারা গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে চিনে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু একই গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়া জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে এখনো চিনতে পারেননি। এখনো সময় আছে— জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করুন। আওয়ামী লীগের মতোই ১৪ দল এবং জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করুন।
নিজের নির্বাচনি এলাকা পঞ্চগড়ের পরিস্থিতি তুলে ধরে রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা এক পাশ দিয়ে লাগাই, আরেক পাশ দিয়ে চাঁদা পার্টি পোস্টার ছিড়ে। আমি চাঁদা পার্টিকে বলতে চাই— ডা. শফিকুর রহমান, পীর সাহেব চরমোনাই, আল্লামা মামুনুল হকসহ আট দলের নেতাদের ছবি ও নাম পোস্টার থেকে ছিড়তে পারবেন, কিন্তু মানুষের মন থেকে মুছে দিতে পারবেন না। তাদের চাঁদাবাজির হিসাব করতে গেলে ক্যালকুলেটরে এখন আর ডিজিট ওঠে না। এভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্ভব নয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সমমনা আট দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

আন্দোলনকারীরা আরও জানান, তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত ফাইলটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু অযথা সময়ক্ষেপণ করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। দাবিদাওয়ার বিষয়টি সমাধান করা না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে বলে জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
তারা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার আব্দুল জহিরের ছেলে আবুল আসাদ বাদল (৬২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকায় নাজির উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (১০০)।
১১ ঘণ্টা আগে
কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারাই মূল শিক্ষা দেন। আর শিক্ষকদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমরা বরাবরই কাজ করেছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আমরা ১০ম গ্রেড দিয়েছি এবং সহকারী শিক্ষকদের আমরা ১১তম গ্রেড দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি সফল হবো।
১ দিন আগে