
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই ও কৃষক লীগ নেতা ডা. গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের পাশে চতুল রেললাইন এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
গোলাম কবির ও মিন্টু মোল্লা ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের চতুল গ্রামের বাসিন্দা মৃত মো. ইসহাক মিয়ার ছেলে।
অভিযুক্ত ডা. গোলাম কবির ফরিদপুর জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য উপকমিটির সাবেক সদস্য। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি।
ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত গোলাম কবিরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ সময় তার ব্যবহৃত গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই গোলাম কবির ও মিন্টু মোল্লার মধ্যে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। সকালে মিন্টু মোল্লা তার বাড়ির পাশের একটি গাছ কাটতে গেলে গোলাম কবির সেখানে উপস্থিত হয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে গোলাম কবির তার লাইসেন্সকৃত শর্টগান দিয়ে গুলি চালান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোলাম কবির কৌশলে কথা বলার জন্য তার ভাই মিন্টুকে গাছ কাটার জায়গা থেকে আরেকটু দূরে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের পেছনের রেলগেট এলাকায় ডেকে নিয়ে গিয়ে গলার নিচে ও বুকে পরপর ছয় রাউন্ড গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় মিন্টু লুটিয়ে পড়লে গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা এসে এ ঘটনা দেখেন। পরে গোলাম কবিরকে আটক করে পুলিশে দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, অভিযুক্ত গোলাম কবিরকে আটক করা হয়েছে এবং তার ব্যবহৃত অস্ত্রটিও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই ও কৃষক লীগ নেতা ডা. গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের পাশে চতুল রেললাইন এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
গোলাম কবির ও মিন্টু মোল্লা ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের চতুল গ্রামের বাসিন্দা মৃত মো. ইসহাক মিয়ার ছেলে।
অভিযুক্ত ডা. গোলাম কবির ফরিদপুর জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য উপকমিটির সাবেক সদস্য। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি।
ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত গোলাম কবিরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ সময় তার ব্যবহৃত গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই গোলাম কবির ও মিন্টু মোল্লার মধ্যে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। সকালে মিন্টু মোল্লা তার বাড়ির পাশের একটি গাছ কাটতে গেলে গোলাম কবির সেখানে উপস্থিত হয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে গোলাম কবির তার লাইসেন্সকৃত শর্টগান দিয়ে গুলি চালান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোলাম কবির কৌশলে কথা বলার জন্য তার ভাই মিন্টুকে গাছ কাটার জায়গা থেকে আরেকটু দূরে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের পেছনের রেলগেট এলাকায় ডেকে নিয়ে গিয়ে গলার নিচে ও বুকে পরপর ছয় রাউন্ড গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় মিন্টু লুটিয়ে পড়লে গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা এসে এ ঘটনা দেখেন। পরে গোলাম কবিরকে আটক করে পুলিশে দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, অভিযুক্ত গোলাম কবিরকে আটক করা হয়েছে এবং তার ব্যবহৃত অস্ত্রটিও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ইবরাই শাহ মাজারে প্রতি বছরই বাউল গানের আসর আয়োজন করা হয়। এবারও তিন দিনের আসর আয়োজন করা হয়েছিল। রোববার রাতে আসর চলাকালে প্রায় এক শ লোক সেখানে দলবদ্ধভাবে হামলা চালায়। শিল্পীদের হাত থেকে বাদ্যযন্ত্র কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে, সাউন্ড সিস্টেমও ভেঙেচুরে ফেলে। পরে তারা
২ দিন আগে
ওই মারামারির জের ধরে সোমবার সকালে ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। খবর পেয়ে রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় গোলাগুলি ও বাড়ি ভাঙচুর হয়।
২ দিন আগে
ওসমান গনির বাবা জানান, রাতে চারজন সন্ত্রাসী অস্ত্রহাতে ঘরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়লে ওসমান হাতে ও পেটে গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় তাকে বাঁচাতে তার মা ছুটে এলে তিনিও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। গুলি চালিয়ে অস্ত্রধারীরা দ্রুত পালিয়ে যান।
২ দিন আগে