
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিণত হয়েছে দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। বছরের অন্যান্য সময়েও এখানে পর্যটকের উপস্থিতি থাকলেও বড় উৎসবকে ঘিরে ভিড় বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এবারের ঈদেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
ইজারাদার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের দিন থেকে পরবর্তী চার দিনে প্রায় ১৭ হাজার পর্যটক মাধবকুণ্ডে ভ্রমণ করেছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি সবুজ পরিবেশ ও উন্মুক্ত আবহ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলোকচিত্রী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্তুষ্টি বিরাজ করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস ও মাইক্রোবাসে করে বিপুলসংখ্যক মানুষ মাধবকুণ্ড ইকোপার্কে ভিড় করছেন। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা হয়ে উঠেছে প্রাণচঞ্চল। কেউ ঝর্ণার পানিতে নেমে আনন্দ উপভোগ করছেন, আবার কেউ পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে স্মৃতি ধরে রাখতে ব্যস্ত।
বর্ষার শুরুর সঙ্গে ঈদের ছুটি মিলিয়ে প্রকৃতির রূপ আরও মোহনীয় হয়ে উঠেছে। টইটম্বুর জলধারা, পাহাড়ি নির্মল বাতাস ও সবুজে ঘেরা পরিবেশে তৈরি হয়েছে অপূর্ব এক আবহ।
মানিকগঞ্জের ব্যবসায়ী কার্তিক পাল পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে জানান, সারা বছরের ব্যস্ততার কারণে ভ্রমণের সুযোগ হয় না। ঈদের ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে এখানে এসে ভালো লেগেছে তার। তিনি বলেন, বসা ও বিশ্রামের জন্য পাকা শেড নির্মাণসহ কিছু উন্নয়ন পর্যটকদের জন্য সহায়ক হয়েছে।
বরিশাল থেকে আসা মনিরুল হক দ্বিতীয়বারের মতো এখানে এসে অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তবে বিভিন্ন স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য দেখে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী রাহেল আহমদ বলেন, ঈদুল ফিতরের ছুটিতে হাজারো পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়েছে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত। পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে আমাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে।
মাধবকুণ্ডের প্রধান ফটকে দায়িত্বে থাকা রাজু আহমদ জানান, চার দিনে প্রায় ১৭ হাজার পর্যটকের সমাগম হয়েছে এবং ছুটি অব্যাহত থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন বলেও তিনি জানান।
টুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঈদের শুরু থেকেই বাড়তি ভিড় সামাল দিতে তারা সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিণত হয়েছে দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। বছরের অন্যান্য সময়েও এখানে পর্যটকের উপস্থিতি থাকলেও বড় উৎসবকে ঘিরে ভিড় বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এবারের ঈদেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
ইজারাদার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের দিন থেকে পরবর্তী চার দিনে প্রায় ১৭ হাজার পর্যটক মাধবকুণ্ডে ভ্রমণ করেছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি সবুজ পরিবেশ ও উন্মুক্ত আবহ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলোকচিত্রী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্তুষ্টি বিরাজ করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস ও মাইক্রোবাসে করে বিপুলসংখ্যক মানুষ মাধবকুণ্ড ইকোপার্কে ভিড় করছেন। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা হয়ে উঠেছে প্রাণচঞ্চল। কেউ ঝর্ণার পানিতে নেমে আনন্দ উপভোগ করছেন, আবার কেউ পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে স্মৃতি ধরে রাখতে ব্যস্ত।
বর্ষার শুরুর সঙ্গে ঈদের ছুটি মিলিয়ে প্রকৃতির রূপ আরও মোহনীয় হয়ে উঠেছে। টইটম্বুর জলধারা, পাহাড়ি নির্মল বাতাস ও সবুজে ঘেরা পরিবেশে তৈরি হয়েছে অপূর্ব এক আবহ।
মানিকগঞ্জের ব্যবসায়ী কার্তিক পাল পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে জানান, সারা বছরের ব্যস্ততার কারণে ভ্রমণের সুযোগ হয় না। ঈদের ছুটিতে সন্তানদের নিয়ে এখানে এসে ভালো লেগেছে তার। তিনি বলেন, বসা ও বিশ্রামের জন্য পাকা শেড নির্মাণসহ কিছু উন্নয়ন পর্যটকদের জন্য সহায়ক হয়েছে।
বরিশাল থেকে আসা মনিরুল হক দ্বিতীয়বারের মতো এখানে এসে অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তবে বিভিন্ন স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য দেখে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী রাহেল আহমদ বলেন, ঈদুল ফিতরের ছুটিতে হাজারো পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়েছে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত। পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে আমাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে।
মাধবকুণ্ডের প্রধান ফটকে দায়িত্বে থাকা রাজু আহমদ জানান, চার দিনে প্রায় ১৭ হাজার পর্যটকের সমাগম হয়েছে এবং ছুটি অব্যাহত থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন বলেও তিনি জানান।
টুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঈদের শুরু থেকেই বাড়তি ভিড় সামাল দিতে তারা সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ওই মারামারির জের ধরে সোমবার সকালে ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। খবর পেয়ে রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় গোলাগুলি ও বাড়ি ভাঙচুর হয়।
১ দিন আগে
ওসমান গনির বাবা জানান, রাতে চারজন সন্ত্রাসী অস্ত্রহাতে ঘরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়লে ওসমান হাতে ও পেটে গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় তাকে বাঁচাতে তার মা ছুটে এলে তিনিও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। গুলি চালিয়ে অস্ত্রধারীরা দ্রুত পালিয়ে যান।
২ দিন আগে
টাউন হল মিটিংয়ে উপস্থিত তরুণ-তরুণীরা জানান, তাদের বড় অংশই শিক্ষার্থী, কেউ কেউ চাকরিজীবী। কেউ কেউ পড়ালেখা শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছেন। মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তারা ঈশ্বরগঞ্জ নিয়ে নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরেন।
২ দিন আগে