
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

পূর্ববিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে মসজিদের একজন ইমামসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানান নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম।
সংঘর্ষে নিহতরা হলেন— গোয়ালনগর গ্রামের আক্তার মিয়া এবং গোয়ালনগর মসজিদের ইমাম মো. হাবিবুর রহমান। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১৭ মার্চও এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের বাসিন্দা রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন জিয়াউর। সম্প্রতি গোয়ালনগর গ্রামে শিশুকে আটক করে মারধর ও তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন তিনি। এ নিয়ে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনার জেরে আজ সকালে আবার রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে প্রথমে রহিম গোষ্ঠীর আক্তার মিয়া নিহত হন।
এ সময় ঝগড়া থামাতে গিয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি শাহীনুল ইসলাম বলেন, দুই গোষ্ঠীর মধ্যকার সমস্য নিজেরাই সমাধান করেছে। কিন্তু মঙ্গলবার ভোর থেকে তারা মারামারি শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ফের সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পূর্ববিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে মসজিদের একজন ইমামসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানান নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম।
সংঘর্ষে নিহতরা হলেন— গোয়ালনগর গ্রামের আক্তার মিয়া এবং গোয়ালনগর মসজিদের ইমাম মো. হাবিবুর রহমান। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১৭ মার্চও এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের বাসিন্দা রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন জিয়াউর। সম্প্রতি গোয়ালনগর গ্রামে শিশুকে আটক করে মারধর ও তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন তিনি। এ নিয়ে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনার জেরে আজ সকালে আবার রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে প্রথমে রহিম গোষ্ঠীর আক্তার মিয়া নিহত হন।
এ সময় ঝগড়া থামাতে গিয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি শাহীনুল ইসলাম বলেন, দুই গোষ্ঠীর মধ্যকার সমস্য নিজেরাই সমাধান করেছে। কিন্তু মঙ্গলবার ভোর থেকে তারা মারামারি শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ফের সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

টাউন হল মিটিংয়ে উপস্থিত তরুণ-তরুণীরা জানান, তাদের বড় অংশই শিক্ষার্থী, কেউ কেউ চাকরিজীবী। কেউ কেউ পড়ালেখা শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছেন। মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তারা ঈশ্বরগঞ্জ নিয়ে নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরেন।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা জানান, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র তৈরি করে মজুত করেছেন বলে তথ্য ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, ঈদের নামাজের পর তারা হামলা করবে। সে চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর রোববার রাত থেকেই নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল তারা। পরে সকালে লাউ কুড়ার মাঠে নজির গ্রুপের ওপর তারা হামলা চাল
১ দিন আগে
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে