
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে মারধর করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন।
নিহত ব্যক্তির স্বজনদের অভিযোগ, ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈমকে হত্যা করা হয়েছে।
গুরুতর আহত কিবরিয়াকে স্বজনেরা উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমের প্রাইভেট কারটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাঁকে ফেলে রেখে যান তাঁরা। খবর পেয়ে নাঈমকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করেন। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
এসআই আরও জানান, নাঈমের গলা, হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নিহত নাঈম কিবরিয়ার খালাতো ভাই মো. রাকিবুল ইসলাম শামীম বলেন, নাঈমের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার চক জয়েনপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া। পাবনা জজকোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী ছিলেন নাঈম। তাঁর মা আইরিন কিবরিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাবনা জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর নাঈমের নামে পাবনা থানায় একটি মামলা হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি।
রাকিবুল ইসলাম শামীম আরও বলেন, বুধবার রাত ১০টার দিকে নাঈমের ফোন নম্বর থেকে তাঁর ফোনে একটি কল আসে। তবে তখন নাঈম কোনো কথা বলছিলেন না। শুধু হইচই শোনা যাচ্ছিল। পরে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নাঈমকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না।
ঘণ্টাখানেক পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ফোন রিসিভ করে জানান, কারা যেন আই ব্লকে নাঈমকে মারধর করে ফেলে রেখে গেছে। পরে তিনি সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে বারিধারা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শামীম অভিযোগ করেন, রাতে ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈমকে মারধর করা হয়েছে। তবে কারা তাঁকে মারধর করেছে, সেটি তাঁদের জানা নেই।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে মারধর করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন।
নিহত ব্যক্তির স্বজনদের অভিযোগ, ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈমকে হত্যা করা হয়েছে।
গুরুতর আহত কিবরিয়াকে স্বজনেরা উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমের প্রাইভেট কারটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাঁকে ফেলে রেখে যান তাঁরা। খবর পেয়ে নাঈমকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করেন। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
এসআই আরও জানান, নাঈমের গলা, হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নিহত নাঈম কিবরিয়ার খালাতো ভাই মো. রাকিবুল ইসলাম শামীম বলেন, নাঈমের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার চক জয়েনপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া। পাবনা জজকোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী ছিলেন নাঈম। তাঁর মা আইরিন কিবরিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাবনা জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর নাঈমের নামে পাবনা থানায় একটি মামলা হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি।
রাকিবুল ইসলাম শামীম আরও বলেন, বুধবার রাত ১০টার দিকে নাঈমের ফোন নম্বর থেকে তাঁর ফোনে একটি কল আসে। তবে তখন নাঈম কোনো কথা বলছিলেন না। শুধু হইচই শোনা যাচ্ছিল। পরে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নাঈমকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না।
ঘণ্টাখানেক পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ফোন রিসিভ করে জানান, কারা যেন আই ব্লকে নাঈমকে মারধর করে ফেলে রেখে গেছে। পরে তিনি সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে বারিধারা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শামীম অভিযোগ করেন, রাতে ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈমকে মারধর করা হয়েছে। তবে কারা তাঁকে মারধর করেছে, সেটি তাঁদের জানা নেই।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে