
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের জন্য দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরুর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নে সুভারকুঠি এলাকায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় রান্নার কড়াইয়ে লাখো মানুষের ইফতার রান্না কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন মন্ত্রী দুলু।
দূর্যোগকালে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এ খাল কাটার মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ প্রকল্পে কুড়িগ্রামকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সবেমাত্র নতুন সরকার হয়েছে। এখনও আমাদের হাতের ভোটের কালি মুছে নাই। সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এ তিস্তা পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন।
উত্তরাঞ্চলের মানুষের দূর্যোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলে যে পরিমানে শীত পড়ে তা কল্পনার বাইরে। দেশের তিন ধরণের দুর্যোগ সামনে রেখে গাজীপুরে গবেষণা কেন্দ্র হচ্ছে। সেখানে এসব নিয়ে গবেষণা হবে। দেশী-বিদেশি গবেষকরা সেখানে দূর্যোগ নিয়ে গবেষণা করবেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এগিয়ে আসে এটি খুবই ভালো কাজ। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যে কাজটা করছে এটি বন্যার সময় খুবই উপকারে আসবে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই কড়াইটি প্রায় ১৫লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ হাজার কেজি ওজনের কড়াইটির ব্যাসার্ধ ৩১ দশমিক ৩ ফুট এবং গভীরতা সাড়ে ৪ ফুট। এক সাথে লাখো মানুষের জন্য ৪ স্তরে ৪ প্রকারের খাবার রান্না করা যায়। এতে এলপিজি গ্যাস খরচ হয় প্রায় ২২০০কেজি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার ফজলে রাব্বি, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড ডিরেক্টর জামাল উদ্দিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশাল আকৃতির এই কড়াইয়ে এক লাখ মানুষের ইফতার রান্না করা যাবে। জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ১০০টি মসজিদের মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে এসব ইফতার পৌছে দেয়া হবে।

রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের জন্য দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরুর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নে সুভারকুঠি এলাকায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় রান্নার কড়াইয়ে লাখো মানুষের ইফতার রান্না কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন মন্ত্রী দুলু।
দূর্যোগকালে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এ খাল কাটার মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ প্রকল্পে কুড়িগ্রামকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সবেমাত্র নতুন সরকার হয়েছে। এখনও আমাদের হাতের ভোটের কালি মুছে নাই। সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এ তিস্তা পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন।
উত্তরাঞ্চলের মানুষের দূর্যোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলে যে পরিমানে শীত পড়ে তা কল্পনার বাইরে। দেশের তিন ধরণের দুর্যোগ সামনে রেখে গাজীপুরে গবেষণা কেন্দ্র হচ্ছে। সেখানে এসব নিয়ে গবেষণা হবে। দেশী-বিদেশি গবেষকরা সেখানে দূর্যোগ নিয়ে গবেষণা করবেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এগিয়ে আসে এটি খুবই ভালো কাজ। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যে কাজটা করছে এটি বন্যার সময় খুবই উপকারে আসবে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই কড়াইটি প্রায় ১৫লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ হাজার কেজি ওজনের কড়াইটির ব্যাসার্ধ ৩১ দশমিক ৩ ফুট এবং গভীরতা সাড়ে ৪ ফুট। এক সাথে লাখো মানুষের জন্য ৪ স্তরে ৪ প্রকারের খাবার রান্না করা যায়। এতে এলপিজি গ্যাস খরচ হয় প্রায় ২২০০কেজি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার ফজলে রাব্বি, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড ডিরেক্টর জামাল উদ্দিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশাল আকৃতির এই কড়াইয়ে এক লাখ মানুষের ইফতার রান্না করা যাবে। জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ১০০টি মসজিদের মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে এসব ইফতার পৌছে দেয়া হবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে