
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সোহাগ শেখ (৪২) নামের এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বাজার এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত সোহাগ মোল্লাহাট বাজারের একজন স্বনামধন্য ঢেউটিন ব্যবসায়ী এবং উদয়পুর গ্রামের দাউদ শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাজারে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন সোহাগ শেখ। বাজারের পশ্চিম পাশে একটি পানের দোকানের সামনে সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজিব কুমার পাল জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সোহাগ শেখের মৃত্যু হয়েছে। তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রমজানুল হক বলেন, ‘দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে সোহাগ শেখকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তার শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।’

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সোহাগ শেখ (৪২) নামের এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বাজার এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত সোহাগ মোল্লাহাট বাজারের একজন স্বনামধন্য ঢেউটিন ব্যবসায়ী এবং উদয়পুর গ্রামের দাউদ শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাজারে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন সোহাগ শেখ। বাজারের পশ্চিম পাশে একটি পানের দোকানের সামনে সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজিব কুমার পাল জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সোহাগ শেখের মৃত্যু হয়েছে। তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রমজানুল হক বলেন, ‘দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে সোহাগ শেখকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তার শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।’

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে