
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মহানগরে জ্বালানি তেলের সংকট ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে পাম্প মালিকদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে রাজশাহী জেলার সব ফিলিং স্টেশন ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে নগরীর পদ্মা গার্ডেনের কফিবার রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী জেলা শাখার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. আব্দুল আওয়াল খান জোতি, সভাপতি মো. মনিমুল হক, নেতা মো. আনিসুর রহমান শিমুল, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিনুল ইসলাম ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মোখলেসুর রহমানসহ জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, রাজশাহী একটি বিভাগীয় শহর হওয়ায় এখানে জ্বালানি তেলের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী তেল উত্তোলন করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক পাম্প নানা সমস্যার মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় কিছু কিছু পাম্পে মব হামলার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
সভায় পাম্প মালিকরা প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। তারা বলেন, তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং পাম্পগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। তা না হলে ১৬ মার্চ থেকে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে পাম্পও বন্ধ রাখা হতে পারে।
পাম্প মালিকরা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিরাপত্তা ও মজুদের ভিত্তিতে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করা হবে। তবে ডিজেল মজুদ থাকলে তা দিন-রাত বিক্রি করা হবে।
এছাড়া কৃষিকাজের সুবিধার্থে এজেন্সি পয়েন্টের মাধ্যমে তেল সরবরাহের ব্যবস্থাও করার আহ্বান জানান তারা। সভায় আরও জানানো হয়, রোববার (১৫ মার্চ) রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

রাজশাহী মহানগরে জ্বালানি তেলের সংকট ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে পাম্প মালিকদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে রাজশাহী জেলার সব ফিলিং স্টেশন ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে নগরীর পদ্মা গার্ডেনের কফিবার রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী জেলা শাখার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. আব্দুল আওয়াল খান জোতি, সভাপতি মো. মনিমুল হক, নেতা মো. আনিসুর রহমান শিমুল, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিনুল ইসলাম ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মোখলেসুর রহমানসহ জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, রাজশাহী একটি বিভাগীয় শহর হওয়ায় এখানে জ্বালানি তেলের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী তেল উত্তোলন করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক পাম্প নানা সমস্যার মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় কিছু কিছু পাম্পে মব হামলার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
সভায় পাম্প মালিকরা প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। তারা বলেন, তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং পাম্পগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। তা না হলে ১৬ মার্চ থেকে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে পাম্পও বন্ধ রাখা হতে পারে।
পাম্প মালিকরা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিরাপত্তা ও মজুদের ভিত্তিতে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করা হবে। তবে ডিজেল মজুদ থাকলে তা দিন-রাত বিক্রি করা হবে।
এছাড়া কৃষিকাজের সুবিধার্থে এজেন্সি পয়েন্টের মাধ্যমে তেল সরবরাহের ব্যবস্থাও করার আহ্বান জানান তারা। সভায় আরও জানানো হয়, রোববার (১৫ মার্চ) রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মেজবাহ উদ্দীনকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে
মন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে; তাই এর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুষ্ঠানে তিনি বিগত সময়ের বৈষম্য দূর করে সাংবাদিকদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের আধুনিক ভবন নির্মাণেরও ঘোষণা দেন।
১ দিন আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী অবৈধ দখলদারদের সতর্ক করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
১ দিন আগে
নিহতদের মধ্যে বর, তার বাবা, ভাই-বোন, ভাবি ও ভাগ্নে-ভাগ্নিসহ একই পরিবারের ৯ জন রয়েছেন। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে তাদের মরদেহ বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শেলাবুনিয়া এলাকায় পৌঁছায়। অন্যদিকে কনে, তার বোন, দাদি ও নানির মরদেহ নেওয়া হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলায়। দুই এলাকায়ই শো
১ দিন আগে