
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে আটক এক যুবককে তার স্বজনরা বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন। বুধবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের উত্তর বড়ময়দান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা বকুল দাসের বাড়ির পাশেই একটি রাইস মিল রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় মিলের কাজ চলাকালে বিদ্যুৎ চলে গেলে তার স্ত্রী জুবলী রানী দাস টর্চ লাইট দিতে মিলের দিকে যান।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের অভিযোগ, এ সময় বসতঘরের দরজা খোলা পেয়ে প্রতিবেশী মিথুন দাস (২৭) ঘরে প্রবেশ করে। তিনি প্রথমে এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৬) এক কিশোরীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী নিজেকে ছাড়িয়ে চিৎকার করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে যান।
এরপর অভিযুক্ত যুবক ওই কিশোরীর বড় বোন, এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে (১৭) জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় তার মুখ ও গলা চেপে ধরায় তিনি আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে অভিযুক্তকে আটক করেন।
আটকের খবর পেয়ে মিথুন দাসের বাবা, চাচা, ভাইসহ স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুর চালান। এক পর্যায়ে তারা অভিযুক্তকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা বকুল দাস বাদী হয়ে অভিযুক্ত মিথুন দাস, তার বাবা মাখন চন্দ্র দাস, ভাই টিপু চন্দ্র দাস, চাচা অরুণ চন্দ্র দাস এবং চাচাতো ভাই অরূপ দাসকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের চাচা অরুণ চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে আটক এক যুবককে তার স্বজনরা বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন। বুধবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের উত্তর বড়ময়দান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা বকুল দাসের বাড়ির পাশেই একটি রাইস মিল রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় মিলের কাজ চলাকালে বিদ্যুৎ চলে গেলে তার স্ত্রী জুবলী রানী দাস টর্চ লাইট দিতে মিলের দিকে যান।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের অভিযোগ, এ সময় বসতঘরের দরজা খোলা পেয়ে প্রতিবেশী মিথুন দাস (২৭) ঘরে প্রবেশ করে। তিনি প্রথমে এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৬) এক কিশোরীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী নিজেকে ছাড়িয়ে চিৎকার করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে যান।
এরপর অভিযুক্ত যুবক ওই কিশোরীর বড় বোন, এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে (১৭) জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় তার মুখ ও গলা চেপে ধরায় তিনি আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে অভিযুক্তকে আটক করেন।
আটকের খবর পেয়ে মিথুন দাসের বাবা, চাচা, ভাইসহ স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুর চালান। এক পর্যায়ে তারা অভিযুক্তকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা বকুল দাস বাদী হয়ে অভিযুক্ত মিথুন দাস, তার বাবা মাখন চন্দ্র দাস, ভাই টিপু চন্দ্র দাস, চাচা অরুণ চন্দ্র দাস এবং চাচাতো ভাই অরূপ দাসকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের চাচা অরুণ চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
৯ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১১ ঘণ্টা আগে
আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বাঁশহাটী বাজারের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক তদন্তে উঠে এসেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বাড়িতে মজুত করা ডিজেলের ড্রামে পড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়
১ দিন আগে