
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে আটক এক যুবককে তার স্বজনরা বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের উত্তর বড়ময়দান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা বকুল দাসের বাড়ির পাশেই একটি রাইস মিল রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় মিলের কাজ চলাকালে বিদ্যুৎ চলে গেলে তার স্ত্রী জুবলী রানী দাস টর্চ লাইট দিতে মিলের দিকে যান।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের অভিযোগ, এ সময় বসতঘরের দরজা খোলা পেয়ে প্রতিবেশী মিথুন দাস (২৭) ঘরে প্রবেশ করে। তিনি প্রথমে এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৬) এক কিশোরীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী নিজেকে ছাড়িয়ে চিৎকার করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে যান।
এরপর অভিযুক্ত যুবক ওই কিশোরীর বড় বোন, এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে (১৭) জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় তার মুখ ও গলা চেপে ধরায় তিনি আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে অভিযুক্তকে আটক করেন।
আটকের খবর পেয়ে মিথুন দাসের বাবা, চাচা, ভাইসহ স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুর চালান। এক পর্যায়ে তারা অভিযুক্তকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা বকুল দাস বাদী হয়ে অভিযুক্ত মিথুন দাস, তার বাবা মাখন চন্দ্র দাস, ভাই টিপু চন্দ্র দাস, চাচা অরুণ চন্দ্র দাস এবং চাচাতো ভাই অরূপ দাসকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের চাচা অরুণ চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে আটক এক যুবককে তার স্বজনরা বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের উত্তর বড়ময়দান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা বকুল দাসের বাড়ির পাশেই একটি রাইস মিল রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় মিলের কাজ চলাকালে বিদ্যুৎ চলে গেলে তার স্ত্রী জুবলী রানী দাস টর্চ লাইট দিতে মিলের দিকে যান।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের অভিযোগ, এ সময় বসতঘরের দরজা খোলা পেয়ে প্রতিবেশী মিথুন দাস (২৭) ঘরে প্রবেশ করে। তিনি প্রথমে এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৬) এক কিশোরীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী নিজেকে ছাড়িয়ে চিৎকার করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে যান।
এরপর অভিযুক্ত যুবক ওই কিশোরীর বড় বোন, এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে (১৭) জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় তার মুখ ও গলা চেপে ধরায় তিনি আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে অভিযুক্তকে আটক করেন।
আটকের খবর পেয়ে মিথুন দাসের বাবা, চাচা, ভাইসহ স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুর চালান। এক পর্যায়ে তারা অভিযুক্তকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা বকুল দাস বাদী হয়ে অভিযুক্ত মিথুন দাস, তার বাবা মাখন চন্দ্র দাস, ভাই টিপু চন্দ্র দাস, চাচা অরুণ চন্দ্র দাস এবং চাচাতো ভাই অরূপ দাসকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের চাচা অরুণ চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৮ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় ১৩ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
ভারী বৃষ্টির মধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে মাটিচাপা পড়ে মারা যাওয়া তিন শিশুর (ছাত্রী) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ/৩ সাব-ব্লকে অবস্থিত একটি মহিলা হেফজখানায় (মাদরাসা) পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে।
২১ ঘণ্টা আগে
এর আগে ১৯৮৩ সালে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্তও ৩৩০ থেকে ৩৮৬ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এই অতি ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে নগরের নিম্নাঞ্চলগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে।
১ দিন আগে