
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বাঁশহাটী বাজারের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক তদন্তে উঠে এসেছে।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে বাজারের জমির মালিকানা নিয়ে নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (মামলা নং-৩২/২০১৫) একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন স্থানীয় শাহ আলম গং। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত বাজারটির ইজারা ডাকের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে ইজারা কার্যক্রম স্থগিত থাকে।
তথ্য অনুযায়ী, বাঁশহাটী বাজারটি সরকারের পেরিফেরিভুক্ত এবং সেখানে ৩৪ শতক খাস জমি রয়েছে। ১৪০৮ বঙ্গাব্দ (২০০২ সাল) থেকে নান্দাইল উপজেলা পরিষদ বাজারটি ইজারা দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ ১৪২২ বঙ্গাব্দে (২০১৫ সাল) ৫ লাখ ৫২ হাজার ৩০০ টাকায় বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, ইজারা বন্ধ থাকলেও কৌশলে প্রতিবছর বাজার থেকে খাস আদায়ের (সরকারি আদায়) কার্যক্রম চলছিল। অথচ ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ার কোনো সুস্পষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা আক্তার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর চিঠি দিয়ে বাজারটি ইজারা না হওয়ায় সরকারের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং খাস আদায়ের অনুমতি চান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌসুলির মতামত জানতে চান। তবে পরে এ বিষয়ে আইনগত মতামত নিতে গিয়ে দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হয়।
২০২১ সালে আদালত মূল মামলাটি খারিজ করে দেন। তবে বাদী শাহ আলম পুনরায় আরেকটি ছানি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত ইজারা কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেননি। তবুও বাঁশহাটী বাজারটি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের (২০২৬ সাল) ইজারা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
এদিকে, ২০২৫ সালে (১৪৩২ বঙ্গাব্দ) বাজারটি ইজারা তালিকায় না থাকলেও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার একটি চিঠির মাধ্যমে জনৈক বুলবুল ইসলামকে খাস আদায়ের দায়িত্ব দেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, খাস আদায় থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা আয় হলেও সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে মাত্র ৬৫ হাজার টাকা। তৎকালীন ইউএনও সারমিনা সাত্তার নান্দাইল থেকে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
চলতি বছর বাজারটি ইজারা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়া প্রসঙ্গে উপজেলার বর্তমান ইউএনও ফাতেমা জান্নাত বলেন, “আইন কর্মকর্তার মতামত ইজারার পক্ষে না থাকায় বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়নি।” তিনি জানান, গত বছর খাস আদায়ের বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ নথি পাওয়া যায়নি, তবে ৬৫ হাজার টাকা জমার একটি স্লিপ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, “বাঁশহাটী বাজার সংক্রান্ত চলমান মামলাটি বাদী প্রত্যাহার করতে রাজি হয়েছেন। মামলা নিষ্পত্তি হলে বাজারটি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বাঁশহাটী বাজারের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক তদন্তে উঠে এসেছে।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে বাজারের জমির মালিকানা নিয়ে নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (মামলা নং-৩২/২০১৫) একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন স্থানীয় শাহ আলম গং। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত বাজারটির ইজারা ডাকের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে ইজারা কার্যক্রম স্থগিত থাকে।
তথ্য অনুযায়ী, বাঁশহাটী বাজারটি সরকারের পেরিফেরিভুক্ত এবং সেখানে ৩৪ শতক খাস জমি রয়েছে। ১৪০৮ বঙ্গাব্দ (২০০২ সাল) থেকে নান্দাইল উপজেলা পরিষদ বাজারটি ইজারা দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ ১৪২২ বঙ্গাব্দে (২০১৫ সাল) ৫ লাখ ৫২ হাজার ৩০০ টাকায় বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, ইজারা বন্ধ থাকলেও কৌশলে প্রতিবছর বাজার থেকে খাস আদায়ের (সরকারি আদায়) কার্যক্রম চলছিল। অথচ ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ার কোনো সুস্পষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা আক্তার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর চিঠি দিয়ে বাজারটি ইজারা না হওয়ায় সরকারের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং খাস আদায়ের অনুমতি চান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌসুলির মতামত জানতে চান। তবে পরে এ বিষয়ে আইনগত মতামত নিতে গিয়ে দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হয়।
২০২১ সালে আদালত মূল মামলাটি খারিজ করে দেন। তবে বাদী শাহ আলম পুনরায় আরেকটি ছানি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত ইজারা কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেননি। তবুও বাঁশহাটী বাজারটি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের (২০২৬ সাল) ইজারা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
এদিকে, ২০২৫ সালে (১৪৩২ বঙ্গাব্দ) বাজারটি ইজারা তালিকায় না থাকলেও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার একটি চিঠির মাধ্যমে জনৈক বুলবুল ইসলামকে খাস আদায়ের দায়িত্ব দেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, খাস আদায় থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা আয় হলেও সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে মাত্র ৬৫ হাজার টাকা। তৎকালীন ইউএনও সারমিনা সাত্তার নান্দাইল থেকে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
চলতি বছর বাজারটি ইজারা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়া প্রসঙ্গে উপজেলার বর্তমান ইউএনও ফাতেমা জান্নাত বলেন, “আইন কর্মকর্তার মতামত ইজারার পক্ষে না থাকায় বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়নি।” তিনি জানান, গত বছর খাস আদায়ের বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ নথি পাওয়া যায়নি, তবে ৬৫ হাজার টাকা জমার একটি স্লিপ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, “বাঁশহাটী বাজার সংক্রান্ত চলমান মামলাটি বাদী প্রত্যাহার করতে রাজি হয়েছেন। মামলা নিষ্পত্তি হলে বাজারটি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জের কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। রোগীর স্বজনের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন তারা।
১ দিন আগে
হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
২ দিন আগে
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উ
২ দিন আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফ
২ দিন আগে