
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের (ডিজিএম) কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখায় যোগদানের পর দুই জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আলাউদ্দিন ও অমল পালের সঙ্গে মিলে লাইনম্যান কামরুল ইসলাম একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নতুন সংযোগ, কিলোওয়াট বৃদ্ধি, ট্রান্সফরমার পরিবর্তন ও লাইন নির্মাণের আবেদন তদন্তে সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়াররা নিজেরা মাঠে না গিয়ে কামরুল ইসলামকে পাঠান। অভিযোগ রয়েছে, সরেজমিনে গিয়ে গ্রাহকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের সমঝোতা হলে অফিসে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়। অন্যথায় নানা অজুহাতে আবেদন ফাইল বাতিল বা ঝুলিয়ে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অফিসে গেলে তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়। ঝড়বৃষ্টি বা দুর্যোগে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হলে মেরামতের জন্য লাইনম্যান কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলেও তিনি চরম উদাসীনতা দেখান। অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রুহুল আমিনের নির্দেশও উপেক্ষা করা হয়।
উপজেলার তারাদরম গ্রামের বাসিন্দা সামছু মিয়া জানান, গত সোমবার রাতে ঝড়ে একটি বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে গেলে প্রায় ৫০-৬০টি পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। পরদিন সকালে অভিযোগ জানানো হলে এজিএম রুহুল আমিন দ্রুত লাইন মেরামতের নির্দেশ দেন। তবে বিকেল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কেউ না যাওয়ায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ বাড়ে। পরে রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়।
এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেন, লাইনম্যান কামরুল ইসলাম সরাসরি সমস্যা সমাধান না করে উল্টো নানাভাবে হয়রানি করেন। এ ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি নিজে না গিয়ে স্থানীয় ইলেক্ট্রিশিয়ান পাঠিয়ে ফেইজ লাগানো ও সংযোগ স্থাপনের কাজ করান, যা ঝুঁকিপূর্ণ ও নিয়মবহির্ভূত।
এ ছাড়া আরও অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ কর্মস্থলে না থেকে পাশের বিয়ানীবাজার উপজেলায় বসবাস করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে তিনিও নিজে উপস্থিত না থেকে স্থানীয় ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়ে কাজ করান।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লাইনম্যান কামরুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম অফিসে গিয়েও তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. খায়রুল বাকী খান বলেন, তারাদরম গ্রামের সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি তার কাছে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। সব বিষয়ে খোঁজ নিয়ে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের (ডিজিএম) কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখায় যোগদানের পর দুই জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আলাউদ্দিন ও অমল পালের সঙ্গে মিলে লাইনম্যান কামরুল ইসলাম একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নতুন সংযোগ, কিলোওয়াট বৃদ্ধি, ট্রান্সফরমার পরিবর্তন ও লাইন নির্মাণের আবেদন তদন্তে সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়াররা নিজেরা মাঠে না গিয়ে কামরুল ইসলামকে পাঠান। অভিযোগ রয়েছে, সরেজমিনে গিয়ে গ্রাহকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের সমঝোতা হলে অফিসে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়। অন্যথায় নানা অজুহাতে আবেদন ফাইল বাতিল বা ঝুলিয়ে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অফিসে গেলে তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়। ঝড়বৃষ্টি বা দুর্যোগে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হলে মেরামতের জন্য লাইনম্যান কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলেও তিনি চরম উদাসীনতা দেখান। অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রুহুল আমিনের নির্দেশও উপেক্ষা করা হয়।
উপজেলার তারাদরম গ্রামের বাসিন্দা সামছু মিয়া জানান, গত সোমবার রাতে ঝড়ে একটি বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে গেলে প্রায় ৫০-৬০টি পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। পরদিন সকালে অভিযোগ জানানো হলে এজিএম রুহুল আমিন দ্রুত লাইন মেরামতের নির্দেশ দেন। তবে বিকেল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কেউ না যাওয়ায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ বাড়ে। পরে রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়।
এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেন, লাইনম্যান কামরুল ইসলাম সরাসরি সমস্যা সমাধান না করে উল্টো নানাভাবে হয়রানি করেন। এ ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি নিজে না গিয়ে স্থানীয় ইলেক্ট্রিশিয়ান পাঠিয়ে ফেইজ লাগানো ও সংযোগ স্থাপনের কাজ করান, যা ঝুঁকিপূর্ণ ও নিয়মবহির্ভূত।
এ ছাড়া আরও অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ কর্মস্থলে না থেকে পাশের বিয়ানীবাজার উপজেলায় বসবাস করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে তিনিও নিজে উপস্থিত না থেকে স্থানীয় ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়ে কাজ করান।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লাইনম্যান কামরুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম অফিসে গিয়েও তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. খায়রুল বাকী খান বলেন, তারাদরম গ্রামের সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি তার কাছে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। সব বিষয়ে খোঁজ নিয়ে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন রোধে একটি অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার নৌ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বহনকারী নৌকার মাঝিও গুলিতে আহত হন। গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়ার হরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জের কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। রোগীর স্বজনের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন তারা।
১ দিন আগে
হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
২ দিন আগে
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উ
২ দিন আগে