
অলীপ ঘটক, বাগেরহাট

বাগেরহাটের রামপালে ক্লাসে গান গাইতে না পারায় এক শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষার্থীর নাম নেওয়াজ তালুকদার, সে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নেওয়াজ তালুকদার জানায়, ধর্মীয় ক্লাসে শিক্ষক আমিন গাজী তাকে গান গাওয়ার জন্য ডাকেন। তবে সে গান জানেন না বলে জানালে অভিযুক্ত শিক্ষক প্রথমে তাকে লাঠি দিয়ে একটি আঘাত করেন। পরে সে বেঞ্চে বসতে গেলে অন্য এক সহপাঠী নিচু স্বরে গান গেয়ে ওঠে।
তখন শিক্ষক আমিন গাজী কে গায় গেয়েছে জানতে চাইলে সহপাঠীরা নেওয়াজকে দায়ী করে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে নেওয়াজকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পড়ে। পরে বাড়িতে ফিরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেয় সে।
শিক্ষার্থীর বাবা রাজু তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘তুচ্ছ কারণে আমার ছেলেকে বেদম প্রহার করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাঠির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমার সন্তানের শরীরে মারধরের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার পালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় জানার পরে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ধর্মীয় শিক্ষক আমিন গাজীর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
এদিকে বাগেরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেত বা লাঠির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দিতে পারেন না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাগেরহাটের রামপালে ক্লাসে গান গাইতে না পারায় এক শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষার্থীর নাম নেওয়াজ তালুকদার, সে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নেওয়াজ তালুকদার জানায়, ধর্মীয় ক্লাসে শিক্ষক আমিন গাজী তাকে গান গাওয়ার জন্য ডাকেন। তবে সে গান জানেন না বলে জানালে অভিযুক্ত শিক্ষক প্রথমে তাকে লাঠি দিয়ে একটি আঘাত করেন। পরে সে বেঞ্চে বসতে গেলে অন্য এক সহপাঠী নিচু স্বরে গান গেয়ে ওঠে।
তখন শিক্ষক আমিন গাজী কে গায় গেয়েছে জানতে চাইলে সহপাঠীরা নেওয়াজকে দায়ী করে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে নেওয়াজকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পড়ে। পরে বাড়িতে ফিরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেয় সে।
শিক্ষার্থীর বাবা রাজু তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘তুচ্ছ কারণে আমার ছেলেকে বেদম প্রহার করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাঠির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমার সন্তানের শরীরে মারধরের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার পালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় জানার পরে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ধর্মীয় শিক্ষক আমিন গাজীর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
এদিকে বাগেরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেত বা লাঠির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দিতে পারেন না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
১০ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১২ ঘণ্টা আগে
আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বাঁশহাটী বাজারের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক তদন্তে উঠে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বাড়িতে মজুত করা ডিজেলের ড্রামে পড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়
১ দিন আগে