
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বড় জয় পেয়েছেন। ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি হারিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তাহির মোহাম্মদ আব্দুস সালাম আল মাদানিকে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ছাতক-দোয়ারাবাজারের ১৭০টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৯২৫টি। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে মিলন পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু তাহির পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯২৮ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব বলছে, মিলন মোট ৫৩ হাজার ৬৯ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন।
ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি কর্মকর্তা ও পর্যবেক্ষকরা। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ডিপ্লোমেসি চাকমা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এর বড় প্রমাণ।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ছাতক-দোয়ারাবাজারের ১৭০টি কেন্দ্রেই ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, তরুণদের উচ্ছ্বাস ও প্রবীণ ভোটারদের দায়িত্বশীল উপস্থিতি নির্বাচনি পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। বিশেষ করে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোটারদের উৎসাহ ছিল লক্ষ্যণীয়।
ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর ফল জানাজানি হলে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস ও আনন্দের বন্যা। ছাতক-দোয়ারাবাজারের গোবিন্দগঞ্জ, জাউয়াবাজার, ধারন, কৈতক, নাদামপুর, আলমপুরসহ ১০৪টি কেন্দ্র এলাকায় বিজয় মিছিল বের করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা, আতশবাজি ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অভিনন্দন জানান স্থানীয়রা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর ছাতক-দোয়ারাবাজারে এক শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার সুযোগ পেয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর জনগণের এই অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে তারা মনে করেন।
বিএনপি সমর্থিত নেতারা জানিয়েছে, কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের উন্নয়নমুখী রাজনীতি, এলাকার প্রতি তার দীর্ঘদিনের অবদান ও মানুষের প্রতি নিবিড় সম্পর্কই এ বিপুল ভোটের ব্যবধান তৈরি করেছে। তার তিনবারের সংসদ সদস্য হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা, সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব এবং জনগণের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে থাকার প্রবণতা জনগণের আস্থাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এ বিজয়কে ছাতক-দোয়ারাবাজার অঞ্চলের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এ অঞ্চলের উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যুবসমাজের সম্ভাবনা নতুনভাবে আলোচনায় আসবে। এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে আবারও বিএনপির শক্ত অবস্থান প্রমাণিত হলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বড় জয় পেয়েছেন। ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি হারিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তাহির মোহাম্মদ আব্দুস সালাম আল মাদানিকে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ছাতক-দোয়ারাবাজারের ১৭০টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৯২৫টি। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে মিলন পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু তাহির পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯২৮ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব বলছে, মিলন মোট ৫৩ হাজার ৬৯ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন।
ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি কর্মকর্তা ও পর্যবেক্ষকরা। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ডিপ্লোমেসি চাকমা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এর বড় প্রমাণ।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ছাতক-দোয়ারাবাজারের ১৭০টি কেন্দ্রেই ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, তরুণদের উচ্ছ্বাস ও প্রবীণ ভোটারদের দায়িত্বশীল উপস্থিতি নির্বাচনি পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। বিশেষ করে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোটারদের উৎসাহ ছিল লক্ষ্যণীয়।
ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর ফল জানাজানি হলে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস ও আনন্দের বন্যা। ছাতক-দোয়ারাবাজারের গোবিন্দগঞ্জ, জাউয়াবাজার, ধারন, কৈতক, নাদামপুর, আলমপুরসহ ১০৪টি কেন্দ্র এলাকায় বিজয় মিছিল বের করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা, আতশবাজি ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অভিনন্দন জানান স্থানীয়রা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর ছাতক-দোয়ারাবাজারে এক শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার সুযোগ পেয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর জনগণের এই অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে তারা মনে করেন।
বিএনপি সমর্থিত নেতারা জানিয়েছে, কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের উন্নয়নমুখী রাজনীতি, এলাকার প্রতি তার দীর্ঘদিনের অবদান ও মানুষের প্রতি নিবিড় সম্পর্কই এ বিপুল ভোটের ব্যবধান তৈরি করেছে। তার তিনবারের সংসদ সদস্য হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা, সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব এবং জনগণের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে থাকার প্রবণতা জনগণের আস্থাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এ বিজয়কে ছাতক-দোয়ারাবাজার অঞ্চলের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এ অঞ্চলের উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যুবসমাজের সম্ভাবনা নতুনভাবে আলোচনায় আসবে। এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে আবারও বিএনপির শক্ত অবস্থান প্রমাণিত হলো।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে