
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন। আসনটির ১১১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৭ ভোট।
এ বি এম মোশাররফের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট। অর্থাৎ, ৫৩ হাজার ৭৩১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মোশাররফ। আর ভোটের হিসেবে তৃতীয় হয়েছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিশের (দেয়াল ঘড়ি) ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ।
কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই উপকূলীয় আসনে এ বি এম মোশাররফের এই জয় তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ফসল হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। এ বি এম মোশাররফ নব্বইয়ের দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ছাত্রনেতা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি শক্ত করতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানও সাবেক বিএনপি নেতা ও এমপি ছিলেন। দীর্ঘদিন আগেই তিনি বিএনপি ছেড়ে চরমোনাই পীরের দলে যোগ দেন। তবে এবারের নির্বাচনে বিএনপির সংহত ভোটব্যাংক এবং জামায়াতের কৌশলী অবস্থানের কাছে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে পড়ে ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন। আসনটির ১১১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৭ ভোট।
এ বি এম মোশাররফের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট। অর্থাৎ, ৫৩ হাজার ৭৩১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মোশাররফ। আর ভোটের হিসেবে তৃতীয় হয়েছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিশের (দেয়াল ঘড়ি) ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ।
কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই উপকূলীয় আসনে এ বি এম মোশাররফের এই জয় তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ফসল হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। এ বি এম মোশাররফ নব্বইয়ের দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ছাত্রনেতা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি শক্ত করতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানও সাবেক বিএনপি নেতা ও এমপি ছিলেন। দীর্ঘদিন আগেই তিনি বিএনপি ছেড়ে চরমোনাই পীরের দলে যোগ দেন। তবে এবারের নির্বাচনে বিএনপির সংহত ভোটব্যাংক এবং জামায়াতের কৌশলী অবস্থানের কাছে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে পড়ে ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে