
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের দুটি মামলা খারিজ করেছেন আদালত। রোববার (১ ডিসেম্বর) সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক ছগির আহমেদ মামলা দুটি খারিজ করেন।
সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আশিক উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর লন্ডনে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করার অভিযোগে ওই বছরের ২৪ ডিসেম্বর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ দুটি মামলা করা হয়। মামলা দুটি করেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন) তৎকালীন সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি শামীম মোল্লা।
মামলা দুটিতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌম, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বিরোধিতা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করেন। সে সময় আদালত মামলা দুটি গ্রহণ করে সরকারের অনুমোদনক্রমে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে শাহপরান থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে পরবর্তী সময়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এর ভিত্তিতে একটি মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল মামলার প্রসেস দাখিলের জন্য বাদী পক্ষকে নির্দেশ দেন আদালত। কিন্তু এরপর থেকে মামলার বাদী আদালতে হাজির হননি এবং প্রসেসও দাখিল করেননি। এরই প্রেক্ষিতে আদালত মামলা দুটি খারিজ করে দিয়েছেন।

সিলেটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের দুটি মামলা খারিজ করেছেন আদালত। রোববার (১ ডিসেম্বর) সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক ছগির আহমেদ মামলা দুটি খারিজ করেন।
সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আশিক উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর লন্ডনে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করার অভিযোগে ওই বছরের ২৪ ডিসেম্বর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ দুটি মামলা করা হয়। মামলা দুটি করেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন) তৎকালীন সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি শামীম মোল্লা।
মামলা দুটিতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌম, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বিরোধিতা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করেন। সে সময় আদালত মামলা দুটি গ্রহণ করে সরকারের অনুমোদনক্রমে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে শাহপরান থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে পরবর্তী সময়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এর ভিত্তিতে একটি মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল মামলার প্রসেস দাখিলের জন্য বাদী পক্ষকে নির্দেশ দেন আদালত। কিন্তু এরপর থেকে মামলার বাদী আদালতে হাজির হননি এবং প্রসেসও দাখিল করেননি। এরই প্রেক্ষিতে আদালত মামলা দুটি খারিজ করে দিয়েছেন।

স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
১ দিন আগে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে ঘরের ভেতরে রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
২ দিন আগে
লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দইখাওয়া বিওপির একটি টহলদল সীমান্তে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনতে পায়। পরে সীমান্ত পিলার ৯০২-এর কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রনি মিয়াকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
৩ দিন আগে