
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিল মাকসা নামের একটি জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে বুধবার (৭ জানুয়ারি) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিল মাকসা জলমহালের দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়।
হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন— উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), পিতা: হুমায়ুন কবির দানা; তাকবীর (২৮), পিতা: অজু মিয়া; মীর রাফি (২৩), পিতা: মীর বাদল; এবং রিমন (৩৫), পিতা: কায়েস ভুইয়া।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদল সভাপতিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার সঙ্গে থাকা তিনজনকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। আহতদের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় গুরুতর আহতদের কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ছাত্রদল সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল অভিযোগ করে বলেন, ‘বিল মাকসা জলমহালের দখল নিয়ে আমাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বেই এই হামলা হয়েছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান বলেন, ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই অষ্টগ্রাম সদর ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিল মাকসা নামের একটি জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে বুধবার (৭ জানুয়ারি) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিল মাকসা জলমহালের দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়।
হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন— উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), পিতা: হুমায়ুন কবির দানা; তাকবীর (২৮), পিতা: অজু মিয়া; মীর রাফি (২৩), পিতা: মীর বাদল; এবং রিমন (৩৫), পিতা: কায়েস ভুইয়া।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদল সভাপতিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার সঙ্গে থাকা তিনজনকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। আহতদের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় গুরুতর আহতদের কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ছাত্রদল সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল অভিযোগ করে বলেন, ‘বিল মাকসা জলমহালের দখল নিয়ে আমাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বেই এই হামলা হয়েছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান বলেন, ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই অষ্টগ্রাম সদর ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে