
সিলেট ব্যুরো

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় আবারও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গৌরীশংকর টিপরাখোলা এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টহলরত পাঁচ-ছয়জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে স্থানীয় চোরাকারবারিদের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে এক বিজিবি সদস্য মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রাত পৌনে ১০টার দিকে বিজিবি সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়েন। এ সময় চোরাকারবারিরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিজিবির বিরুদ্ধে উসকে দেয়। এতে বিজিবি সদস্যরা একপর্যায়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ বিজিবি সদস্যদের উদ্ধার করে।
সংঘর্ষে মো. আতিক আহমেদ (২০) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। আহত অন্যরা হলেন— মো. রায়হান মিয়া (২৮), নুরজাহান (৫০) এবং জৈন্তাপুর রাজবাড়ী বিওপির বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম (৪৩)। তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ছেন।
আহতদের জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে আতিক ও গুরুতর আহত বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ আতিক গৌরীশংকর গ্রামের মৃত নূর নবীর ছেলে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা। তবে এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, এর আগের দিন বুধবারও (২১ জানুয়ারি) জৈন্তাপুরে চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবির আরেকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ছয়টি চোরাই গরু উদ্ধারের সময় পাঁচ-ছয়জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে স্থানীয় চোরাকারবারিদের সংঘর্ষ হয়। এতে ল্যান্স নায়েক মো. ওমর ফারুক আহত হন। পরে বিজিবি বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ৬১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় আবারও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গৌরীশংকর টিপরাখোলা এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টহলরত পাঁচ-ছয়জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে স্থানীয় চোরাকারবারিদের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে এক বিজিবি সদস্য মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রাত পৌনে ১০টার দিকে বিজিবি সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়েন। এ সময় চোরাকারবারিরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিজিবির বিরুদ্ধে উসকে দেয়। এতে বিজিবি সদস্যরা একপর্যায়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ বিজিবি সদস্যদের উদ্ধার করে।
সংঘর্ষে মো. আতিক আহমেদ (২০) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। আহত অন্যরা হলেন— মো. রায়হান মিয়া (২৮), নুরজাহান (৫০) এবং জৈন্তাপুর রাজবাড়ী বিওপির বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম (৪৩)। তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ছেন।
আহতদের জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে আতিক ও গুরুতর আহত বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ আতিক গৌরীশংকর গ্রামের মৃত নূর নবীর ছেলে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা। তবে এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, এর আগের দিন বুধবারও (২১ জানুয়ারি) জৈন্তাপুরে চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবির আরেকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ছয়টি চোরাই গরু উদ্ধারের সময় পাঁচ-ছয়জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে স্থানীয় চোরাকারবারিদের সংঘর্ষ হয়। এতে ল্যান্স নায়েক মো. ওমর ফারুক আহত হন। পরে বিজিবি বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ৬১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, উদ্ধার করা বস্তুগুলো পানিভর্তি বালতিতে সংরক্ষণ করে সদর থানায় নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলো দেখতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাউন্ড বক্সের মতো মনে হচ্ছে।
১ দিন আগে
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২ দিন আগে
এ নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের একই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ হয়ে গেল। এর আগে গত ৩১ জুলাই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দুদিন পর ২ আগস্ট ইউনিটটি সচল হয়। ১২ দিন পর ফের ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ হলো।
২ দিন আগে
এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রংছাতি ইউনিয়নের আমগড়া বাজার মোড় এলাকায় কবরস্থানের পাশেই পুলিয়া পানেশ্বর গ্রামের লোকজন দোকান ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। শুক্রবার সকালে এ ঘটনার সময় আমগড়া গ্রামের লোকজন তাদের বাধা দেন। এতে দুই গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
২ দিন আগে