
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় এক বিয়ে বাড়িতে ‘জোরে’ গান বাজানোর অভিযোগে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিয়ে বাড়ির অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে হবিগঞ্জ সদর ও সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বাহুবলের লামাতাশি ইউনিয়নের ঘোষপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর লুটপাট করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন কনের বাবা।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ইফতারের পর ঘোষপাড়া গ্রামের হামিদ মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ইমন মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কনের বাড়িতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়। এ উপলক্ষ্যে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো হয়। এ সময় সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামের কয়েকজন গিয়ে গান বন্ধ করতে বলেন। শুক্রবার দুপুরেও কনের বাড়িতে সাউন্ড বক্সে গান বাজালে তারা আবার এসে গান বন্ধ করতে বলেন।
এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কনের বাড়িতে একদল তরুণ হামলা চালায়। হামলায় কনের মা ও চাচিসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে দুজনকে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল ও তিনজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কনের বাবা হামিদ মিয়া বলেন, আশপাশের লোকজনকে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে আমার বাড়িতে হামলা চালানো হতে পারে। ওরা হামলা করে ঘরের অনেক কিছু লুট করে নিয়ে গেছে।
বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম বলেন, বিয়ে বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়েছিল। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় এক বিয়ে বাড়িতে ‘জোরে’ গান বাজানোর অভিযোগে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিয়ে বাড়ির অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে হবিগঞ্জ সদর ও সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বাহুবলের লামাতাশি ইউনিয়নের ঘোষপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর লুটপাট করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন কনের বাবা।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ইফতারের পর ঘোষপাড়া গ্রামের হামিদ মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ইমন মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কনের বাড়িতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়। এ উপলক্ষ্যে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো হয়। এ সময় সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামের কয়েকজন গিয়ে গান বন্ধ করতে বলেন। শুক্রবার দুপুরেও কনের বাড়িতে সাউন্ড বক্সে গান বাজালে তারা আবার এসে গান বন্ধ করতে বলেন।
এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কনের বাড়িতে একদল তরুণ হামলা চালায়। হামলায় কনের মা ও চাচিসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে দুজনকে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল ও তিনজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কনের বাবা হামিদ মিয়া বলেন, আশপাশের লোকজনকে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে আমার বাড়িতে হামলা চালানো হতে পারে। ওরা হামলা করে ঘরের অনেক কিছু লুট করে নিয়ে গেছে।
বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম বলেন, বিয়ে বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়েছিল। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে