
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার জুথিকে হত্যার দায়ে স্বামী গোলাম মোস্তফাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ওই পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অপরাধে শ্বশুর আবুল কালামকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ আদালতের বিচারক মো. হাসানুজ্জামান এই রায় দেন।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দা শামসুন্নাহার মিতা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২০ সালে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার জুথির সঙ্গে বিয়ে হয় আসামি গোলাম মোস্তফার। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে থাকা অবস্থায় পুত্রবধূ যুথিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে শ্বশুর আবুল কালাম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জুথি তার বাবার বাসায় চলে যায়। বিষয়টি স্বামী গোলাম মোস্তফা জানতে পেরে প্রথমে তার বাবাকে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে আহত করে। এরপর জুথিকে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২০২২ সালে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করে যুথির পরিবার।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক মো. হাসানুজ্জামান আসামি গোলাম মোস্তফাকে ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও শ্বশুর আবুল কালামকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থ দণ্ডও দিয়েছেন আদালত।

রাজশাহীতে স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার জুথিকে হত্যার দায়ে স্বামী গোলাম মোস্তফাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ওই পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অপরাধে শ্বশুর আবুল কালামকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ আদালতের বিচারক মো. হাসানুজ্জামান এই রায় দেন।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দা শামসুন্নাহার মিতা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২০ সালে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার জুথির সঙ্গে বিয়ে হয় আসামি গোলাম মোস্তফার। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে থাকা অবস্থায় পুত্রবধূ যুথিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে শ্বশুর আবুল কালাম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জুথি তার বাবার বাসায় চলে যায়। বিষয়টি স্বামী গোলাম মোস্তফা জানতে পেরে প্রথমে তার বাবাকে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে আহত করে। এরপর জুথিকে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২০২২ সালে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করে যুথির পরিবার।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক মো. হাসানুজ্জামান আসামি গোলাম মোস্তফাকে ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও শ্বশুর আবুল কালামকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থ দণ্ডও দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে