
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজশাহী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশার কাছে পরাজিত হয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা। বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, নৌকা প্রতীকে নিয়ে ৩২,৪২৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন ফজলে হোসেন বাদশা। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা কাঁচি প্রতীকে ৫৬, ১৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন।
এদিকে বগুড়া-৪ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাসদ নেতা এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন ৪২ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মোল্লা ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬১৮ ভোট।
ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী-২ আসন থেকে ২০০৮ সালের নবম সংসদ, ২০১৪ সালের দশম সংসদ ও ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।
এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন ২০১৪ সালে জাসদের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তবে সম্প্রতিক সময়ে ওই আসনের সংসদ সদস্য মারা গেলে উপনির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

রাজশাহী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশার কাছে পরাজিত হয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা। বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, নৌকা প্রতীকে নিয়ে ৩২,৪২৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন ফজলে হোসেন বাদশা। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা কাঁচি প্রতীকে ৫৬, ১৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন।
এদিকে বগুড়া-৪ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাসদ নেতা এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন ৪২ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মোল্লা ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬১৮ ভোট।
ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী-২ আসন থেকে ২০০৮ সালের নবম সংসদ, ২০১৪ সালের দশম সংসদ ও ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।
এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন ২০১৪ সালে জাসদের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তবে সম্প্রতিক সময়ে ওই আসনের সংসদ সদস্য মারা গেলে উপনির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে