
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে দেড় লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ আতশবাঁজি ও পটকাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার (২ এপ্রিল) রাতে নগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মারুফ হোসেন (২৪) ও নিয়ামত আলী (২১)। সম্পর্কে তারা দুই ভাই। তারা রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনির মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম রাত্রীকালীন ডিউটি করছিলেন। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনি এলাকায় দুই ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় মারুফ ও তার ভাই নিয়ামত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বাড়ির একটি কক্ষ তল্লাশি করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন নিষিদ্ধ আতশবাঁজি ও পটকা জব্দ করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, আসামিরা নগরীর সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেটের আরিফ নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে আতশবাঁজি ও পটকাগুলো ক্রয় করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এছাড়া, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন মার্কেটে আতশবাঁজি ও পটকা সরবরাহ ও বিক্রি করে থাকে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জামিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার পর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহীতে দেড় লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ আতশবাঁজি ও পটকাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার (২ এপ্রিল) রাতে নগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মারুফ হোসেন (২৪) ও নিয়ামত আলী (২১)। সম্পর্কে তারা দুই ভাই। তারা রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনির মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম রাত্রীকালীন ডিউটি করছিলেন। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনি এলাকায় দুই ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় মারুফ ও তার ভাই নিয়ামত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বাড়ির একটি কক্ষ তল্লাশি করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন নিষিদ্ধ আতশবাঁজি ও পটকা জব্দ করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, আসামিরা নগরীর সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেটের আরিফ নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে আতশবাঁজি ও পটকাগুলো ক্রয় করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এছাড়া, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন মার্কেটে আতশবাঁজি ও পটকা সরবরাহ ও বিক্রি করে থাকে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জামিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার পর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৯ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
২১ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে