
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেছেন তরুণ-তরুণী। জরুরি বিভাগ থেকে ভর্তির কাগজ আনার কথা বলে গত শনিবার বিকেলে পালিয়ে যান তারা। গতকাল সোমবার পর্যন্ত আর ফিরে আসেননি বাবা-মা পরিচয় দেওয়া ওই দুই তরুণ-তরুণী। শিশুটি বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে রামেকের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএমএ শামীম আহাম্মদ বলেন, প্রায় ৩০ বছর বয়সী দুজন ছেলে-মেয়ে গত শনিবার সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলে বাচ্চাকে শ্বাসকষ্টের কথা বলে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসে। চিকিৎসা চলা অবস্থায় জরুরি বিভাগ থেকে ভর্তির কাগজ নিয়ে আসার নাম করে তারা চলে যায়। তারপর আজ আর ফিরে আসেনি।
তিনি বলেন, গত তিন দিনে কেউ শিশুটির খোঁজ নিতে আসেনি। বিষয়টি নিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। বাবা-মাকে খুঁজে না পেলে আদালতের মাধ্যমে শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হবে।
রামেক পরিচালক বলেন, বর্তমানে শিশুটি কিছুটা অসুস্থ। তাই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সমাজসেবা থেকে তার কাপড়, দুধ ও অন্যান্য জিনিস দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো দুই একদিন চিকিৎসা দেব। তারপর আদালতের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছোটমনি নিবাসে রাখা হবে।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাহুল হক বলেন, নবজাতক রেখে পালিয়ে গেছে এই মর্মে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে থেকে একটি জিডি পাওয়া গেছে। আমরা এটি কোর্টের মাধ্যমে সমাজসেবাকে দিয়েছি। সেখানকার কোন সিসি টিভি ফুটেও পাওয়া যায়নি। চেষ্টা করা হচ্ছে তাদের খুজে বের কারার।
রাজশাহী শিশু মনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাধায়ক রোকশানা খাতুন বলেন, শিশুটির খোঁজ আমাদের সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসারের মাধ্যমে জানতে পারি। সে এখনও অসুস্থ। আমরা তার খাবার ও কাপড়ের ব্যবস্থা করেছি। শিশুটিকে দেখভালও করছি। শিশুটি সুস্থ হলে আমরা তাকে শিশু মনি নিবাসে নিয়ে যাব।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেছেন তরুণ-তরুণী। জরুরি বিভাগ থেকে ভর্তির কাগজ আনার কথা বলে গত শনিবার বিকেলে পালিয়ে যান তারা। গতকাল সোমবার পর্যন্ত আর ফিরে আসেননি বাবা-মা পরিচয় দেওয়া ওই দুই তরুণ-তরুণী। শিশুটি বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে রামেকের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএমএ শামীম আহাম্মদ বলেন, প্রায় ৩০ বছর বয়সী দুজন ছেলে-মেয়ে গত শনিবার সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলে বাচ্চাকে শ্বাসকষ্টের কথা বলে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসে। চিকিৎসা চলা অবস্থায় জরুরি বিভাগ থেকে ভর্তির কাগজ নিয়ে আসার নাম করে তারা চলে যায়। তারপর আজ আর ফিরে আসেনি।
তিনি বলেন, গত তিন দিনে কেউ শিশুটির খোঁজ নিতে আসেনি। বিষয়টি নিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। বাবা-মাকে খুঁজে না পেলে আদালতের মাধ্যমে শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হবে।
রামেক পরিচালক বলেন, বর্তমানে শিশুটি কিছুটা অসুস্থ। তাই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সমাজসেবা থেকে তার কাপড়, দুধ ও অন্যান্য জিনিস দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো দুই একদিন চিকিৎসা দেব। তারপর আদালতের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছোটমনি নিবাসে রাখা হবে।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাহুল হক বলেন, নবজাতক রেখে পালিয়ে গেছে এই মর্মে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে থেকে একটি জিডি পাওয়া গেছে। আমরা এটি কোর্টের মাধ্যমে সমাজসেবাকে দিয়েছি। সেখানকার কোন সিসি টিভি ফুটেও পাওয়া যায়নি। চেষ্টা করা হচ্ছে তাদের খুজে বের কারার।
রাজশাহী শিশু মনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাধায়ক রোকশানা খাতুন বলেন, শিশুটির খোঁজ আমাদের সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসারের মাধ্যমে জানতে পারি। সে এখনও অসুস্থ। আমরা তার খাবার ও কাপড়ের ব্যবস্থা করেছি। শিশুটিকে দেখভালও করছি। শিশুটি সুস্থ হলে আমরা তাকে শিশু মনি নিবাসে নিয়ে যাব।

ওসি জানান, ফেরিতে ওঠার সময় একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে ট্রাকচাপায় আপন নামের এক যুবককের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা চালছে।
১ দিন আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
১ দিন আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরে’ ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ হঠাৎ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিলেও স্থানীয় কৃষকদের কয়েক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।
১ দিন আগে