
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাকনহাটে অভিযান চালিয়ে সেবা ক্লিনিক নামে এক ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুইদিন আগে গত ১৪ মার্চ দিবাগত রাতে ওই ক্লিনিকে সিজারের সময় কাকনহাট দরগাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩৫) নামে এক এক গৃহবধূ মারা যান। সেখানে চিকিৎসার ত্রুটির অভিযোগ ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুরে সেবা ক্লিনিকে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হলে ক্লিনিক পরিচালনার জন্য কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ ছাড়া ক্লিনিকের জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া, আবাসিক চিকিৎসক না থাকাসহ নানান অবস্থাপনা পাওয়া যায়। এদিকে ক্লিনিকের একটি ফ্রিজে মাছ, মাংস, ভাত, ডাল ও বিভিন্ন ওষুধ পাওয়া গেছে।
এসব অনিয়ম পাওয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৯ (৫৩) ধারায় সেবা ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ সময় ক্লিনিকের মালিক মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন না। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হরিপুর এলাকায়। হাসপাতালে কর্মরত ম্যানেজার মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জনস্বার্থে এসব অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকার কথা জানান। এ সময় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, রাশেদুল হাসান শাওন উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হাসান শাওন বলেন, ওই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল যে সেখানে অনিয়মভাবে হাসপাতাল পরিচালনা ও চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারই প্রেক্ষিতে শনিবার এই অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাকনহাটে অভিযান চালিয়ে সেবা ক্লিনিক নামে এক ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুইদিন আগে গত ১৪ মার্চ দিবাগত রাতে ওই ক্লিনিকে সিজারের সময় কাকনহাট দরগাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩৫) নামে এক এক গৃহবধূ মারা যান। সেখানে চিকিৎসার ত্রুটির অভিযোগ ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুরে সেবা ক্লিনিকে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হলে ক্লিনিক পরিচালনার জন্য কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ ছাড়া ক্লিনিকের জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া, আবাসিক চিকিৎসক না থাকাসহ নানান অবস্থাপনা পাওয়া যায়। এদিকে ক্লিনিকের একটি ফ্রিজে মাছ, মাংস, ভাত, ডাল ও বিভিন্ন ওষুধ পাওয়া গেছে।
এসব অনিয়ম পাওয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৯ (৫৩) ধারায় সেবা ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ সময় ক্লিনিকের মালিক মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন না। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হরিপুর এলাকায়। হাসপাতালে কর্মরত ম্যানেজার মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জনস্বার্থে এসব অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকার কথা জানান। এ সময় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা, রাশেদুল হাসান শাওন উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হাসান শাওন বলেন, ওই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল যে সেখানে অনিয়মভাবে হাসপাতাল পরিচালনা ও চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারই প্রেক্ষিতে শনিবার এই অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২০ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
২১ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে