
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জিয়াউর রহমান (৩৬) নামে এক যুবলীগ কর্মী খুনের ঘটনায় ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার দিবাগত গভীর রাতে র্যাব-৫ এর রাজশাহী সদর কোম্পানির বিশেষ আভিযানিক অপারেশন দল পৃথক অভিযান চালিয়ে ঢাকা ও কক্সবাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- তানোর উপজেলার লালপুর এলাকার মো. হাবিবুরের ছেলে মো. হাকিম বাবু (৩৪) ও একই এলাকার মো. সাইদুলের ছেলে মো. সুফিয়ান (৩৬)। তাদের ঢাকার মিরপুর মডেল থানা এলাকা থেকে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার অপর তিন আসামি তানোর উপজেলার লালপুর এলাকার মো. হাবিবুরের ছেলে মূলহোতা মো. আবুল হাসান মেম্বার (৪২), একই এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শাহীন (২৫) ও মৃত লুৎফরের ছেলে মো. রাশেলকে (৩০) কক্সবাজার জেলার সদর থানা এলাকা থেকে রাত সোয়া ১টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তালন্দ ইউপির বিলশহর গ্রামের সুমি খাতুনকে বেশ কয়েক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মামলার ১নং আসামি মো. আবুল হাসান মেম্বার। এর আগে থেকেই সুমি খাতুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল যুবলীগ কর্মী জিয়াউর রহমানের। বিষয়টি হাসান মেম্বার বুঝতে পেরে তাকে সতর্ক করেন। পরে ডিপ টিউবওয়েলের অপারেটর নিয়োগ নিয়ে উভয়ের মধ্যে শত্রুতা আরও বেড়ে যায়। এ ছাড়া হাসান মেম্বারের সার বীজের দোকানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ নিয়ে মামলাও করেন হাসান মেম্বার। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে জিয়াউর রহমানের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন হাসান মেম্বার। ফলে গত ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জিয়াউরকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
পরে নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে তানোর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে র্যাব-৫ এর রাজশাহীর সদর কোম্পানির বিশেষ আভিযানিক অপারেশন দল পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-৫ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, এই মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও র্যাব-৫ এর আভিযানিক দল তৎপর রয়েছে।

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জিয়াউর রহমান (৩৬) নামে এক যুবলীগ কর্মী খুনের ঘটনায় ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার দিবাগত গভীর রাতে র্যাব-৫ এর রাজশাহী সদর কোম্পানির বিশেষ আভিযানিক অপারেশন দল পৃথক অভিযান চালিয়ে ঢাকা ও কক্সবাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- তানোর উপজেলার লালপুর এলাকার মো. হাবিবুরের ছেলে মো. হাকিম বাবু (৩৪) ও একই এলাকার মো. সাইদুলের ছেলে মো. সুফিয়ান (৩৬)। তাদের ঢাকার মিরপুর মডেল থানা এলাকা থেকে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার অপর তিন আসামি তানোর উপজেলার লালপুর এলাকার মো. হাবিবুরের ছেলে মূলহোতা মো. আবুল হাসান মেম্বার (৪২), একই এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শাহীন (২৫) ও মৃত লুৎফরের ছেলে মো. রাশেলকে (৩০) কক্সবাজার জেলার সদর থানা এলাকা থেকে রাত সোয়া ১টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তালন্দ ইউপির বিলশহর গ্রামের সুমি খাতুনকে বেশ কয়েক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মামলার ১নং আসামি মো. আবুল হাসান মেম্বার। এর আগে থেকেই সুমি খাতুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল যুবলীগ কর্মী জিয়াউর রহমানের। বিষয়টি হাসান মেম্বার বুঝতে পেরে তাকে সতর্ক করেন। পরে ডিপ টিউবওয়েলের অপারেটর নিয়োগ নিয়ে উভয়ের মধ্যে শত্রুতা আরও বেড়ে যায়। এ ছাড়া হাসান মেম্বারের সার বীজের দোকানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ নিয়ে মামলাও করেন হাসান মেম্বার। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে জিয়াউর রহমানের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন হাসান মেম্বার। ফলে গত ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জিয়াউরকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
পরে নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে তানোর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে র্যাব-৫ এর রাজশাহীর সদর কোম্পানির বিশেষ আভিযানিক অপারেশন দল পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-৫ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, এই মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও র্যাব-৫ এর আভিযানিক দল তৎপর রয়েছে।

তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে ৭টা ৫৮ মিনিটে তাদের প্রথম দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
১১ ঘণ্টা আগে