
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী নগরীতে পৈত্রিক জমি ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে ভগ্নিপতি রুহুল আমিনকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শ্যালক এনামুল হককে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরের দিকে র্যাব-৫ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার আসামির নাম এনামুল হক নগরীর শাহ মখদুম থানার ভূগরইল এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
র্যাব জানায়, গত ২২ মার্চ নিহত ভুক্তভোগী রুহুল আমিনের (৩৮) স্ত্রী শারমিন সুলতানার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি-জমা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে আসামি আমিনুল ইসলাম ওরফে মিন্টু ও আসামি এনামুলের সাথে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া বিবাদ হয়। এক পর্যায়ে এনামুল ভুক্তভোগীকে চড় থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারে ও আমিনুল ইসলাম ওরফে মিন্টু ধারালো হাসুয়া দিয়ে রুহুল আমিনের গলার বাম পাশে কোপ মারলে গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শাহমখদুম থানায় নিহতের পিতা বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে আসামিদের গ্রেপ্তারে অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৫ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি আমিনুল ইসলাম ওরফে মিন্টুকে মামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এর পরপরই হত্যা মামলার ২নং আসামি এনামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারী জোরালো করা হয়। সবশেষ শনিবার দিনগত রাতে র্যাব-৫ অভিযান চালিয়ে রাজশাহী রেলস্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আসামি এনামুলকে নগরীর শাহ মখদুম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

রাজশাহী নগরীতে পৈত্রিক জমি ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে ভগ্নিপতি রুহুল আমিনকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শ্যালক এনামুল হককে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরের দিকে র্যাব-৫ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার আসামির নাম এনামুল হক নগরীর শাহ মখদুম থানার ভূগরইল এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
র্যাব জানায়, গত ২২ মার্চ নিহত ভুক্তভোগী রুহুল আমিনের (৩৮) স্ত্রী শারমিন সুলতানার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি-জমা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে আসামি আমিনুল ইসলাম ওরফে মিন্টু ও আসামি এনামুলের সাথে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া বিবাদ হয়। এক পর্যায়ে এনামুল ভুক্তভোগীকে চড় থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারে ও আমিনুল ইসলাম ওরফে মিন্টু ধারালো হাসুয়া দিয়ে রুহুল আমিনের গলার বাম পাশে কোপ মারলে গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শাহমখদুম থানায় নিহতের পিতা বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে আসামিদের গ্রেপ্তারে অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৫ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি আমিনুল ইসলাম ওরফে মিন্টুকে মামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এর পরপরই হত্যা মামলার ২নং আসামি এনামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারী জোরালো করা হয়। সবশেষ শনিবার দিনগত রাতে র্যাব-৫ অভিযান চালিয়ে রাজশাহী রেলস্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আসামি এনামুলকে নগরীর শাহ মখদুম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মল্লিক সুলতানপুর ক্যাম্পের আওতাধীন সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস এলাকার নিরাপত্তা বাতি হঠাৎ নিভিয়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের মুসলিমপাড়া এলাকায় প্রায় ১২ জনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
১ দিন আগে
শুক্রবার (০৪ জুলাই) রাতে নেত্রকোনা রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে মোহনগঞ্জ ও বারহাট্টা রেলস্টেশনও ঘুরে দেখেন তিনি।
১ দিন আগে
শুক্রবার (০৪ জুলাই) রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পর তাকে পুনরায় ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম ফরিদ হোসেন (২৮)। তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা নির্ভয়ে সত্য তুলে ধরবেন। যে ভালো কাজ করবে তাকে স্বীকৃতি দিতে হবে, আর যে অন্যায় করবে তাকে সমালোচনার মুখোমুখি করতে হবে। তিনি বলেন, সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার সাহসই সাংবাদিকতার মূল শক্তি। রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরে সঠিক পথ দেখানো গণমাধ্যমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়ি
১ দিন আগে