
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা -১ (কলমাকান্দা, দূর্গাপুর উপজেলা) সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, যদি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে আমার এই নির্বাচনি এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে কাজ করব। মায়েদের জন্য পরিবার কার্ড করা হবে। এই কার্ড পরিবারের স্ত্রী বা মায়েদের নামে করে দেওয়া হবে। এ ছাড়াও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। যাতে করে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য পায়। সারা দেশে পরিবার কার্ড দেওয়া হবে সাড়ে চার কোটি, কৃষি কার্ড দেওয়া হবে চার কোটি।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের ডুবিয়ারকোনা এলাকায় নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমি শপথ করে বলছি, আল্লাহর রহমতে যদি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, এই কার্ডের জন্যে কোনো টাকা নেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে কার্ড বাড়ানো হবে। ওয়াদা করছি, কোনো দুর্নীতি করব না এবং আমাদের দলের নেতাকর্মীকে দুর্নীতি করতেও দেবো না।
তিনি আরও বলেন, আমি সব জায়গায় ঘোষণা দিয়ে বলি, আমি ব্যারিস্টার মানুষ। আমার পেট ভরা, পকেট ভরা। আমি দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেো না। আমি শতভাগ সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। আমি ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে সমাজ ব্যবস্থা গড়তে চাই। আমরা দেখছি কোনো কোনো দল ধর্মের দোহাই দিয়ে বেহেশতের টিকিট দিবে বলছেন। এসব থেকে সতর্ক থাকবেন।
এ সময় নেত্রকোনা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা চৌধুরীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নেত্রকোনা -১ (কলমাকান্দা, দূর্গাপুর উপজেলা) সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, যদি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে আমার এই নির্বাচনি এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে কাজ করব। মায়েদের জন্য পরিবার কার্ড করা হবে। এই কার্ড পরিবারের স্ত্রী বা মায়েদের নামে করে দেওয়া হবে। এ ছাড়াও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। যাতে করে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য পায়। সারা দেশে পরিবার কার্ড দেওয়া হবে সাড়ে চার কোটি, কৃষি কার্ড দেওয়া হবে চার কোটি।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের ডুবিয়ারকোনা এলাকায় নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমি শপথ করে বলছি, আল্লাহর রহমতে যদি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, এই কার্ডের জন্যে কোনো টাকা নেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে কার্ড বাড়ানো হবে। ওয়াদা করছি, কোনো দুর্নীতি করব না এবং আমাদের দলের নেতাকর্মীকে দুর্নীতি করতেও দেবো না।
তিনি আরও বলেন, আমি সব জায়গায় ঘোষণা দিয়ে বলি, আমি ব্যারিস্টার মানুষ। আমার পেট ভরা, পকেট ভরা। আমি দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেো না। আমি শতভাগ সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। আমি ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে সমাজ ব্যবস্থা গড়তে চাই। আমরা দেখছি কোনো কোনো দল ধর্মের দোহাই দিয়ে বেহেশতের টিকিট দিবে বলছেন। এসব থেকে সতর্ক থাকবেন।
এ সময় নেত্রকোনা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা চৌধুরীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে হাঁস প্রতীক নিয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দলটি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করেছে। এবারের নির্বাচনে দল বিলুপ্ত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে