
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক দিনের ব্যবধানে শিবু মার্কেটের পাশে কুতুবপুর রাখিবাজার এলাকায় আবারও একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন ছেলেসহ বাবা দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেটের পাশে কুতুবপুর রাখিবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন— আব্দুল কাদের (৫০) এবং তার তিন ছেলে মেহেদী (১৭), সাকিব (১৬) ও রাকিব (১৬)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আব্দুল কাদেরের শরীরের ৫৭ শতাংশ, মেহেদীর ১৮, সাকিবের ১৭ ও রাকিবের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। মেহেদী ও রাকিবের শ্বাসনালিও দগ্ধ হয়েছে। তাদের চারজনের অবস্থাই গুরুতর। ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. ফারুক জানান, স্ত্রী এবং তিন ছেলেসহ একতলা একটি ভবনে ভাড়া থাকেন আব্দুল কাদের। আজ সকালে তাদের বাসায় বিকট একটি বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের মানুষ গিয়ে দেখেন, ওই বাড়িটির দরজা, জানলা ভেঙে পড়েছে। এরপর ঘরের ভেতর থেকে দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে বের করে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, আব্দুল কাদের পেশায় অটোরিকশাচালক। তার ছেলে মেহেদী হালিম বিক্রেতা, সাকিব একটি কারখানার কর্মী এবং রাকিব চটপটি বিক্রি করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলায়। ঘটনার সময় তিন ছেলে ও বাবা ঘুমিয়েছিলেন। আর তাদের মা রান্নার কাজের জন্য পানি সংগ্রহ করতে ঘরের বাইরে ছিলেন।
আব্দুল কাদের বলেন, ওই বাসার গ্যাস লিকেজ হয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকে অথবা ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। তবে এটি কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না। শিবু মার্কেট ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, ‘লিকেজ থেকে গ্যাস চেম্বার হয়ে বিস্ফোরণটি হতে পারে।’
এর আগে গতকাল রোববার সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ৩ শিশু সন্তানসহ দম্পতি দগ্ধ হন। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন এই পাঁচজনের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক দিনের ব্যবধানে শিবু মার্কেটের পাশে কুতুবপুর রাখিবাজার এলাকায় আবারও একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন ছেলেসহ বাবা দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেটের পাশে কুতুবপুর রাখিবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন— আব্দুল কাদের (৫০) এবং তার তিন ছেলে মেহেদী (১৭), সাকিব (১৬) ও রাকিব (১৬)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আব্দুল কাদেরের শরীরের ৫৭ শতাংশ, মেহেদীর ১৮, সাকিবের ১৭ ও রাকিবের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। মেহেদী ও রাকিবের শ্বাসনালিও দগ্ধ হয়েছে। তাদের চারজনের অবস্থাই গুরুতর। ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. ফারুক জানান, স্ত্রী এবং তিন ছেলেসহ একতলা একটি ভবনে ভাড়া থাকেন আব্দুল কাদের। আজ সকালে তাদের বাসায় বিকট একটি বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের মানুষ গিয়ে দেখেন, ওই বাড়িটির দরজা, জানলা ভেঙে পড়েছে। এরপর ঘরের ভেতর থেকে দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে বের করে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, আব্দুল কাদের পেশায় অটোরিকশাচালক। তার ছেলে মেহেদী হালিম বিক্রেতা, সাকিব একটি কারখানার কর্মী এবং রাকিব চটপটি বিক্রি করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলায়। ঘটনার সময় তিন ছেলে ও বাবা ঘুমিয়েছিলেন। আর তাদের মা রান্নার কাজের জন্য পানি সংগ্রহ করতে ঘরের বাইরে ছিলেন।
আব্দুল কাদের বলেন, ওই বাসার গ্যাস লিকেজ হয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকে অথবা ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। তবে এটি কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না। শিবু মার্কেট ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, ‘লিকেজ থেকে গ্যাস চেম্বার হয়ে বিস্ফোরণটি হতে পারে।’
এর আগে গতকাল রোববার সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ৩ শিশু সন্তানসহ দম্পতি দগ্ধ হন। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন এই পাঁচজনের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে