
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকনকে আদালত চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নিজ চেম্বার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে আওয়ামী লীগ নেতার জামিন মঞ্জুরকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার আদালত বর্জনের একপর্যায়ে বিকেলে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে ঢুকে এজলাস ভাঙচুর করেন কিছু বিএনপিপন্থী আইনজীবী। আদালতের ভিডিও ফুটেজে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনকেও দেখা গেছে।
জানা গেছে, ওই ঘটনায় লিংকনকে আটকের পর একই আদালতের বিচারক এস এম শরিয়তুল্লাহ তাঁকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ আইনজীবী লিংকনকে আদালতের গারদখানায় রাখলে সেখানে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করতে থাকেন। বর্তমানে আদালত চত্বরে বিপুলসংখ্যক সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ সদস্য অবস্থান করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দফায় দফায় বাগ্বিতণ্ডা হতে দেখা গেছে আইনজীবীদের।
আদালতে বিক্ষোভরত বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, ‘যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষজনকে জেলা জজ আদালত থেকে জামিন নিতে হচ্ছে, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের নিম্ন আদালত থেকেই জামিন দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
হাফিজ আহমেদ আরও বলেন, ‘অবিলম্বে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণের দাবি জানাই।’ যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁকে অপসারণ করা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে জানিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানুন উল ইসলাম বলেন, আইনজীবী নেতাকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকনকে আদালত চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নিজ চেম্বার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে আওয়ামী লীগ নেতার জামিন মঞ্জুরকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার আদালত বর্জনের একপর্যায়ে বিকেলে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে ঢুকে এজলাস ভাঙচুর করেন কিছু বিএনপিপন্থী আইনজীবী। আদালতের ভিডিও ফুটেজে আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনকেও দেখা গেছে।
জানা গেছে, ওই ঘটনায় লিংকনকে আটকের পর একই আদালতের বিচারক এস এম শরিয়তুল্লাহ তাঁকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ আইনজীবী লিংকনকে আদালতের গারদখানায় রাখলে সেখানে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করতে থাকেন। বর্তমানে আদালত চত্বরে বিপুলসংখ্যক সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ সদস্য অবস্থান করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দফায় দফায় বাগ্বিতণ্ডা হতে দেখা গেছে আইনজীবীদের।
আদালতে বিক্ষোভরত বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, ‘যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষজনকে জেলা জজ আদালত থেকে জামিন নিতে হচ্ছে, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের নিম্ন আদালত থেকেই জামিন দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
হাফিজ আহমেদ আরও বলেন, ‘অবিলম্বে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণের দাবি জানাই।’ যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁকে অপসারণ করা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে জানিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানুন উল ইসলাম বলেন, আইনজীবী নেতাকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের একই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ হয়ে গেল। এর আগে গত ৩১ জুলাই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দুদিন পর ২ আগস্ট ইউনিটটি সচল হয়। ১২ দিন পর ফের ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ হলো।
২০ ঘণ্টা আগে
এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রংছাতি ইউনিয়নের আমগড়া বাজার মোড় এলাকায় কবরস্থানের পাশেই পুলিয়া পানেশ্বর গ্রামের লোকজন দোকান ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। শুক্রবার সকালে এ ঘটনার সময় আমগড়া গ্রামের লোকজন তাদের বাধা দেন। এতে দুই গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
১ দিন আগে
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে