
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় দুটি প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সোমবার (১৫সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত তিনটা থেকে আজ মঙ্গলবার (১৬সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় জেলার সদর উপজেলার কান্দুলিয়া কালীবাড়ি পূজামণ্ডপে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও কান্দুলিয়া কালীবাড়ি পূজামণ্ডপ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতিমাশিল্পীরা গত কয়েক দিন ধরে অস্থায়ী দুর্গামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ করছিলেন। মাটির কাজ শেষে কয়েক দিন আগে তাঁরা চলে যান। এরপর ত্রিপল ও কাপড় দিয়ে প্রতিমাগুলো ঢেকে রাখা হয়েছিল।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে কার্তিকের ডান হাত মোচড়ানো ও অসুরের বাঁ হাত ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এ ছাড়া অসুরের গলার অংশ কিছুটা ফাঁকা করে রাখা হয়। পরে মন্দির কমিটির লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি মিন্টু রায় জানান, ‘সোমবার রাত তিনটা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টার মধ্যে কোনো এক সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা এ কাজ করেছে। প্রতিমাগুলোর এখন শুধু রং করা বাকি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁরাও আমাদের এই পূজায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। এবার পূজার আয়োজন না করতে চাইলেও আমাদের উৎসাহিত করেছেন তাঁরা।’
এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করে কান্দুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা দেওয়ান মঞ্জু মিয়া জানান, ‘এ কাজ যেই করে থাকুক, আমরা চাই তাঁকে বা তাঁদের আইনের আওতায় আনা হোক। মন্দিরে হামলা বা প্রতিমা ভাঙচুর অন্যায়। এখানে আমরা যেকোনো ধর্মীয় উৎসবে মিলেমিশে আনন্দ করি।’
মডেল থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আয়োজকদের থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জন্যে বলা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নেত্রকোনায় দুটি প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সোমবার (১৫সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত তিনটা থেকে আজ মঙ্গলবার (১৬সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় জেলার সদর উপজেলার কান্দুলিয়া কালীবাড়ি পূজামণ্ডপে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও কান্দুলিয়া কালীবাড়ি পূজামণ্ডপ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতিমাশিল্পীরা গত কয়েক দিন ধরে অস্থায়ী দুর্গামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ করছিলেন। মাটির কাজ শেষে কয়েক দিন আগে তাঁরা চলে যান। এরপর ত্রিপল ও কাপড় দিয়ে প্রতিমাগুলো ঢেকে রাখা হয়েছিল।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে কার্তিকের ডান হাত মোচড়ানো ও অসুরের বাঁ হাত ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এ ছাড়া অসুরের গলার অংশ কিছুটা ফাঁকা করে রাখা হয়। পরে মন্দির কমিটির লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি মিন্টু রায় জানান, ‘সোমবার রাত তিনটা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টার মধ্যে কোনো এক সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা এ কাজ করেছে। প্রতিমাগুলোর এখন শুধু রং করা বাকি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁরাও আমাদের এই পূজায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। এবার পূজার আয়োজন না করতে চাইলেও আমাদের উৎসাহিত করেছেন তাঁরা।’
এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করে কান্দুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা দেওয়ান মঞ্জু মিয়া জানান, ‘এ কাজ যেই করে থাকুক, আমরা চাই তাঁকে বা তাঁদের আইনের আওতায় আনা হোক। মন্দিরে হামলা বা প্রতিমা ভাঙচুর অন্যায়। এখানে আমরা যেকোনো ধর্মীয় উৎসবে মিলেমিশে আনন্দ করি।’
মডেল থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আয়োজকদের থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জন্যে বলা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩ দিন আগে
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় লবণ মাঠে জুতা চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে এক গ্রাম্য পশুচিকিৎসককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
৩ দিন আগে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
৩ দিন আগে
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ দিন আগে