বন্যহাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু

বান্দরবান প্রতিনিধি
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫৩
মরদেহের প্রতীকী ছবি

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্যচিং মং মার্মা (৫৯) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলার ৩নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিশডেবা ডলুঝিরি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ক্যচিং মং মার্মা বাচিং কারবারী পাড়ার বাসিন্দা। তার বাবার নাম বাচিং কারবারী এবং মায়ের নাম হ্লাচিং মার্মা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যচিং মং মার্মা নিজের ধানক্ষেতে কীটনাশক দিচ্ছিলেন। এ সময় বন্যহাতির একটি দল আকস্মিক তার ওপর আক্রমণ চালালে হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

নিহতের স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে রাত ৮টায় লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে লাশটি হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার ওসি মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

রাজশাহী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

রাজশাহীর কাকরামারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় একটি দুর্লভ কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

১৮ ঘণ্টা আগে

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযানে শিক্ষার্থীকে মারধর: ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

ডিসি মাসুদ বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির সময় দুপক্ষের বাড়াবাড়ির কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ ঘণ্টা আগে

বেপরোয়া বাস কেড়ে নিল মা-মেয়ের প্রাণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম

১ দিন আগে

কুমিল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ 8

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা

১ দিন আগে