
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

এক বছর আগে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলায় আরও একটি মামলা করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা। মামলার প্রধান আসামি নেত্রকোনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসান।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অন্তত দুজন সাংবাদিকসহ ১৮৬ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ২৫০ জনকে।
বুধবার (২ জুলাই) নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মজলু মিয়া বাদী হয়ে খালিয়াজুরী থানায় মামলাটি করেন।
বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা এই মামলায় ৫১ নম্বর আসামি করা হয়েছে যুগান্তরের খালিয়াজুরী উপজেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলামকে। ১০৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে সকালের সময় উপজেলা প্রতিনিধি মৃণাল কান্তি দেবকে।
সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ১৩ নম্বর আসামি করা হয় মো. শাহিন মিয়াকে, তিনি স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত। ২০ নম্বর আসামি করা হয় রাজন তালুকদারকে। তিনি বারহাট্টা উপজেলায় খাদ্য গুদামে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত। এ ছাড়া ১৮৬ নম্বর আসামি আবদুল মোনায়েম নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, গত বছরের ১৬ জুলাই দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভা দলীয় কার্যালয়ে চলাকালে এক নম্বর আসামির হুকুমে আসামিরা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভয়ভীতি দেখানোসহ দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর চালিয়ে সভা পণ্ড করে দেয়। এ ছাড়া রাস্তা বন্ধ করে ১৫টি মোটরসাইকেল ও তিনটি ইজিবাইক যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ওই ঘটনায় কিছুটা দেরিতে হলেও তিনি মামলাটি করেছেন।
মামলার বাদী মজলু মিয়া বলেন, দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হয় মামলা করতে হবে। তাই আমি মামলার বাদী হয়েছি।
গত বছর আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৭ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত জেলায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্তত ৬০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ছয় হাজারের মতো আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ডজনখানেকের মত পেশাদার সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামি সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বলেন, এজাহারে যে সময় ও ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, সে সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। আমাকে অহেতুক রাজনীতির তকমা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত নই।
সাংবাদিক মৃণাল কান্তি দেবও জানান, তাকে শুধু শুধু হয়রানি করার জন্যই আসামি করা হয়েছে। এ রকম কোনো ঘটনা তার জানা নেই এবং এর সঙ্গে তিনি সম্পৃক্তও নন।
জানতে চাইলে খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর রউফ স্বাধীন বলেন, ‘মামলায় আসামিদের বিষয়ে আমার জানা নেই। বাদী আমার সঙ্গে পরামর্শ করেননি।’ এ বিষয়ে জানতে সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, সাংবাদিক দুজন সাবেক এমপির এজেন্ট বাস্তবায়ন করতেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। সেই সঙ্গে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করতেন। চাকরিজীবী যারা আসামি হয়েছেন তারা আওয়ামী লীগের দোসর।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুগবুল হোসেন জানান, মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কয়েকজন অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

এক বছর আগে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলায় আরও একটি মামলা করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা। মামলার প্রধান আসামি নেত্রকোনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসান।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অন্তত দুজন সাংবাদিকসহ ১৮৬ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ২৫০ জনকে।
বুধবার (২ জুলাই) নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মজলু মিয়া বাদী হয়ে খালিয়াজুরী থানায় মামলাটি করেন।
বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা এই মামলায় ৫১ নম্বর আসামি করা হয়েছে যুগান্তরের খালিয়াজুরী উপজেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলামকে। ১০৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে সকালের সময় উপজেলা প্রতিনিধি মৃণাল কান্তি দেবকে।
সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ১৩ নম্বর আসামি করা হয় মো. শাহিন মিয়াকে, তিনি স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত। ২০ নম্বর আসামি করা হয় রাজন তালুকদারকে। তিনি বারহাট্টা উপজেলায় খাদ্য গুদামে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত। এ ছাড়া ১৮৬ নম্বর আসামি আবদুল মোনায়েম নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, গত বছরের ১৬ জুলাই দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভা দলীয় কার্যালয়ে চলাকালে এক নম্বর আসামির হুকুমে আসামিরা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভয়ভীতি দেখানোসহ দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর চালিয়ে সভা পণ্ড করে দেয়। এ ছাড়া রাস্তা বন্ধ করে ১৫টি মোটরসাইকেল ও তিনটি ইজিবাইক যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ওই ঘটনায় কিছুটা দেরিতে হলেও তিনি মামলাটি করেছেন।
মামলার বাদী মজলু মিয়া বলেন, দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হয় মামলা করতে হবে। তাই আমি মামলার বাদী হয়েছি।
গত বছর আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৭ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত জেলায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্তত ৬০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ছয় হাজারের মতো আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ডজনখানেকের মত পেশাদার সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামি সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বলেন, এজাহারে যে সময় ও ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, সে সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। আমাকে অহেতুক রাজনীতির তকমা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত নই।
সাংবাদিক মৃণাল কান্তি দেবও জানান, তাকে শুধু শুধু হয়রানি করার জন্যই আসামি করা হয়েছে। এ রকম কোনো ঘটনা তার জানা নেই এবং এর সঙ্গে তিনি সম্পৃক্তও নন।
জানতে চাইলে খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর রউফ স্বাধীন বলেন, ‘মামলায় আসামিদের বিষয়ে আমার জানা নেই। বাদী আমার সঙ্গে পরামর্শ করেননি।’ এ বিষয়ে জানতে সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, সাংবাদিক দুজন সাবেক এমপির এজেন্ট বাস্তবায়ন করতেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। সেই সঙ্গে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করতেন। চাকরিজীবী যারা আসামি হয়েছেন তারা আওয়ামী লীগের দোসর।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুগবুল হোসেন জানান, মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কয়েকজন অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

সিলেটে পুলিশের ধাওয়া করা ছিনতাইকারী-মাদকসেবীকে আটক করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে র্যাবের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা নাম ইমন আচার্য। তিনি র্যাব-৯ এ কর্মরত ছিলেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার দুপুর ২টার পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চ
১ দিন আগে
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
২ দিন আগে