
জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরের পাঁচটি আসনেই দাপুটে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে তিনি ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
ফলাফলের তথ্য বলছে, জামালপুর-১ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. নাজমুল হক সাঈদী পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান মাহমুদ বাবু ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. ছামিউল হক পেয়েছেন ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট। ৩৩ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির সুলতান মাহমুদ।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু বিষয়ক সহসম্পাদক ও মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট। ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৭ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান জয় পেয়েছেন।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ৮৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়েছেন। তিনি জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি। নির্বাচনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট। ১ লাখ ২ হাজার ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির ফরিদুল কবীর।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে ১৬১টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ ভোট। এ আসনে বিএনপির ওয়ারেছ আলী জয় পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৫৯৭ ভোটের ব্যবধানে।
এ ছাড়া জামালপুরের এ আসনের অধিকাংশ ভোটাররা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ২৭৭, আর ‘না’ ভোট পেয়েছে ২০ হাজার ৮০৫টি।

জামালপুরের পাঁচটি আসনেই দাপুটে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে তিনি ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
ফলাফলের তথ্য বলছে, জামালপুর-১ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. নাজমুল হক সাঈদী পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান মাহমুদ বাবু ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. ছামিউল হক পেয়েছেন ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট। ৩৩ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির সুলতান মাহমুদ।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু বিষয়ক সহসম্পাদক ও মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট। ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৭ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান জয় পেয়েছেন।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ৮৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়েছেন। তিনি জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি। নির্বাচনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট। ১ লাখ ২ হাজার ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির ফরিদুল কবীর।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে ১৬১টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ ভোট। এ আসনে বিএনপির ওয়ারেছ আলী জয় পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৫৯৭ ভোটের ব্যবধানে।
এ ছাড়া জামালপুরের এ আসনের অধিকাংশ ভোটাররা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ২৭৭, আর ‘না’ ভোট পেয়েছে ২০ হাজার ৮০৫টি।

মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এর মধ্যে একটি আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলের জামায়াত প্রার্থী, একটিতে এনসিপি প্রার্থী। বাকি একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নিজ দলেরই ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’।
১১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম। বেসরকারি ফলাফলে তিনি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন শ্যামা।
১৩ ঘণ্টা আগে
আন্দালিব রহমান পার্থ দাম্পত্য সূত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পারিবারিক আত্মীয়। তার স্ত্রী শেখ সায়রা রহমানের বাবা শেখ হেলাল উদ্দীন সম্পর্কে শেখ মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই। অর্থাৎ শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে আন্দালিব পার্থর চাচাশ্বশুর।
১৪ ঘণ্টা আগে