
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান বাবুল। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি যে কয়েকজনের প্রার্থিতা প্রথম নিশ্চিত করেছিল, তার মধ্যে বাবুল একজন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনভর ভোট গ্রহণের পর মধ্যরাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসান মোল্লা বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, এক লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাবুল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট।
এ আসনের তিন উপজেলার মধ্যে ভাঙ্গায় বাবুল ধানের শীষে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৭৭৫ ভোট, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৯৪ ভোট।
সদরপুরে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৪৫ হাজার ২০১ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ২০ হাজার ১৬১ ভোট। চরভদ্রাসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫০৪ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ছয় হাজার ৬২০ ভোট।
শহিদুল ইসলাম খান বাবুল জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই নিজ আসন ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা)-এর কাজ করে যাচ্ছিলেন। এ বছরের শুরুতে তাকে দলের হাইকমান্ড থেকে এ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসন থেকে নির্বাচনের নির্দেশনা দেয়।
ঠিক এক বছর আগে গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কোনাগ্রামে নিজ বাড়িতে এক অনুষ্ঠানে নগরকান্দা ও সালথার নেতাকর্মীদের বিদায় জানান শহীদুল। সেখানে এক হৃদয়বিদারক অবস্থা তৈরি হয়, চোখের পানিতে তাকে বিদায় দেন ফরিদপুর-২ আসনের নেতাকর্মীরা। একই সময়ে তাকে হাসিমুখে স্বাগত জানান ফরিদুপর-৪ আসনের বিএনপি নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে শহীদুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি নগরকান্দা-সালথা নিয়ে গঠিত সংসদীয় এলাকা ফরিদপুর-২ ছেড়ে দিচ্ছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশেই তিনি ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসনে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।
এ সময় শহীদুলকে ঘিরে ফরিদপুর-২ আসনে তাঁর সমর্থকেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। একপর্যায়ে শহীদুল নিজেও আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান বাবুল। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি যে কয়েকজনের প্রার্থিতা প্রথম নিশ্চিত করেছিল, তার মধ্যে বাবুল একজন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনভর ভোট গ্রহণের পর মধ্যরাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসান মোল্লা বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, এক লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাবুল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট।
এ আসনের তিন উপজেলার মধ্যে ভাঙ্গায় বাবুল ধানের শীষে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৭৭৫ ভোট, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৯৪ ভোট।
সদরপুরে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৪৫ হাজার ২০১ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ২০ হাজার ১৬১ ভোট। চরভদ্রাসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫০৪ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ছয় হাজার ৬২০ ভোট।
শহিদুল ইসলাম খান বাবুল জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই নিজ আসন ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা)-এর কাজ করে যাচ্ছিলেন। এ বছরের শুরুতে তাকে দলের হাইকমান্ড থেকে এ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসন থেকে নির্বাচনের নির্দেশনা দেয়।
ঠিক এক বছর আগে গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কোনাগ্রামে নিজ বাড়িতে এক অনুষ্ঠানে নগরকান্দা ও সালথার নেতাকর্মীদের বিদায় জানান শহীদুল। সেখানে এক হৃদয়বিদারক অবস্থা তৈরি হয়, চোখের পানিতে তাকে বিদায় দেন ফরিদপুর-২ আসনের নেতাকর্মীরা। একই সময়ে তাকে হাসিমুখে স্বাগত জানান ফরিদুপর-৪ আসনের বিএনপি নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে শহীদুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি নগরকান্দা-সালথা নিয়ে গঠিত সংসদীয় এলাকা ফরিদপুর-২ ছেড়ে দিচ্ছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশেই তিনি ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসনে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।
এ সময় শহীদুলকে ঘিরে ফরিদপুর-২ আসনে তাঁর সমর্থকেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। একপর্যায়ে শহীদুল নিজেও আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এর মধ্যে একটি আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলের জামায়াত প্রার্থী, একটিতে এনসিপি প্রার্থী। বাকি একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নিজ দলেরই ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’।
১১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম। বেসরকারি ফলাফলে তিনি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন শ্যামা।
১৩ ঘণ্টা আগে
আন্দালিব রহমান পার্থ দাম্পত্য সূত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পারিবারিক আত্মীয়। তার স্ত্রী শেখ সায়রা রহমানের বাবা শেখ হেলাল উদ্দীন সম্পর্কে শেখ মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই। অর্থাৎ শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে আন্দালিব পার্থর চাচাশ্বশুর।
১৪ ঘণ্টা আগে