
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

হাওর-পাহাড় ও সমতল অঞ্চল ঘেরা নেত্রকোনা জেলার পাঁচ সংসদীয় আসনে জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীসহ ভোটারদের মধ্যেও শুরু হয়ে গেছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ। এসব আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও বসে নেই।
তৃণমূলের তথ্য বলছে, অন্তত দুই ডজন বিএনপি নেতা এই পাঁচ আসনে লড়াইয়ের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা একদিকে যেমন কেন্দ্রের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে মনোনয়ন নিশ্চিত করতে চাইছেন, অন্যদিকে নিজ এলাকায় জনসংযোগসহ জনসম্পৃক্ত নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই আসন থেকে অন্তত চারজন বিএনপি নেতা বিএনপি থেকে সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে মানুষের মনোযোগ কেড়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জেলা বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. হামিদুর রহমান রাশেদ, ঢাকা মহানগর উত্তর আদাবর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান খান ডিপটি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি এজমল হোসেন পাইলট মনোনয়ন প্রত্যাশী।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, কায়সার কামাল এলাকায় নিয়মিত সভা-সমাবেশ করছেন। বাকি প্রার্থীরাও বসে নেই। তারাও নিয়মিত এলাকায় যাতায়াত করছেন। চেষ্টা করছেন সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে।
এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী লুৎফর রহমান খান ডিপটি বলেন, নেত্রকোনা-১ আসনের কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলাকে আধুনিক ও মানসম্মত এলাকা হিসেবে গড়তে চাই। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে চাই।
এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন— জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ উদ্দিন খান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আরিফা জেসমিন নাহীন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. খোরশেদ মিয়া আলম।
এলাকাবাসী বলছেন, বিএনপির সম্ভাব্য এসব প্রার্থী এরই মধ্যে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠকসহ নির্বাচনমুখী নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। সবসময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করি। দলের দুঃসময়ে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ আইনি সহয়তা দিয়েছি। আমার বাসায় হামলা হয়েছে, আমার প্রতিষ্ঠিত নেত্রকোনা ‘ল’ কলেজ দখল হয়ে গিয়েছিল। অসংখ্য মামলার শিকার হয়েছি। পরিবার ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপির জন্য সবসময়ই নিরলসভাবে কাজ করেছি। আশাবাদী, এর মূল্যায়ন পাব।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে এ আসনেই মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ আলমগীর খসরু, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নূরুল আমিন তালুকদারের ছেলে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক রায়হান আমিন তালুকদার রনি, কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের সহকারী মহাসচিব এম নাজমুল হাসান, যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক ও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সজল মাঠে রয়েছেন মনোনয়ন পেতে।
এ আসন কে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রায়হান আমিন তালুকদার রনি বলেন, দেশকে প্রগতিশীল ও উন্নয়নমুখী করতে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ৩১ দফা দিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।
হাওরাঞ্চলে অবস্থিত এ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। ভিআইপি এলাকা হিসেবে পরিচিত এ আসনে বাবরের পাশাপাশি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক কর কমিশনার কাজী ইমদাদুল হক, কৃষিবিদ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক ও বিএনপি নেতা ফারুখ আহমেদ।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী মো. শামসুল হক বলেন, মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী এই তিন উপজেলা নিয়ে নেত্রকোনা-৪ সংসদীয় আসন। লুৎফুজ্জামান বাবর এখান থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন। তাকে এলাকাবাসী হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে।
একটিমাত্র উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন— জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদার, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান, পূর্বধলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এস এম শহীদুল্লাহ ইমরান, পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদার ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মুহাম্মদ আলীর ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুবুল আলম রানা।
জানতে চাইলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকা পূর্বধলায় নিয়মিত গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করছি। জনগণ সৎ ও উন্নয়নে বিশ্বাসী নেতাকে আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। তাদের কাছে তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা তুলে ধরছি। দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।

হাওর-পাহাড় ও সমতল অঞ্চল ঘেরা নেত্রকোনা জেলার পাঁচ সংসদীয় আসনে জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীসহ ভোটারদের মধ্যেও শুরু হয়ে গেছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ। এসব আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও বসে নেই।
তৃণমূলের তথ্য বলছে, অন্তত দুই ডজন বিএনপি নেতা এই পাঁচ আসনে লড়াইয়ের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা একদিকে যেমন কেন্দ্রের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে মনোনয়ন নিশ্চিত করতে চাইছেন, অন্যদিকে নিজ এলাকায় জনসংযোগসহ জনসম্পৃক্ত নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই আসন থেকে অন্তত চারজন বিএনপি নেতা বিএনপি থেকে সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে মানুষের মনোযোগ কেড়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জেলা বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. হামিদুর রহমান রাশেদ, ঢাকা মহানগর উত্তর আদাবর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান খান ডিপটি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি এজমল হোসেন পাইলট মনোনয়ন প্রত্যাশী।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, কায়সার কামাল এলাকায় নিয়মিত সভা-সমাবেশ করছেন। বাকি প্রার্থীরাও বসে নেই। তারাও নিয়মিত এলাকায় যাতায়াত করছেন। চেষ্টা করছেন সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে।
এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী লুৎফর রহমান খান ডিপটি বলেন, নেত্রকোনা-১ আসনের কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলাকে আধুনিক ও মানসম্মত এলাকা হিসেবে গড়তে চাই। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে চাই।
এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন— জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ উদ্দিন খান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আরিফা জেসমিন নাহীন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. খোরশেদ মিয়া আলম।
এলাকাবাসী বলছেন, বিএনপির সম্ভাব্য এসব প্রার্থী এরই মধ্যে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠকসহ নির্বাচনমুখী নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। সবসময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করি। দলের দুঃসময়ে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ আইনি সহয়তা দিয়েছি। আমার বাসায় হামলা হয়েছে, আমার প্রতিষ্ঠিত নেত্রকোনা ‘ল’ কলেজ দখল হয়ে গিয়েছিল। অসংখ্য মামলার শিকার হয়েছি। পরিবার ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপির জন্য সবসময়ই নিরলসভাবে কাজ করেছি। আশাবাদী, এর মূল্যায়ন পাব।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে এ আসনেই মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ আলমগীর খসরু, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নূরুল আমিন তালুকদারের ছেলে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক রায়হান আমিন তালুকদার রনি, কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের সহকারী মহাসচিব এম নাজমুল হাসান, যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক ও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সজল মাঠে রয়েছেন মনোনয়ন পেতে।
এ আসন কে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রায়হান আমিন তালুকদার রনি বলেন, দেশকে প্রগতিশীল ও উন্নয়নমুখী করতে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ৩১ দফা দিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।
হাওরাঞ্চলে অবস্থিত এ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। ভিআইপি এলাকা হিসেবে পরিচিত এ আসনে বাবরের পাশাপাশি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক কর কমিশনার কাজী ইমদাদুল হক, কৃষিবিদ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক ও বিএনপি নেতা ফারুখ আহমেদ।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী মো. শামসুল হক বলেন, মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী এই তিন উপজেলা নিয়ে নেত্রকোনা-৪ সংসদীয় আসন। লুৎফুজ্জামান বাবর এখান থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন। তাকে এলাকাবাসী হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে।
একটিমাত্র উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন— জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদার, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান, পূর্বধলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এস এম শহীদুল্লাহ ইমরান, পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদার ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মুহাম্মদ আলীর ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুবুল আলম রানা।
জানতে চাইলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকা পূর্বধলায় নিয়মিত গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করছি। জনগণ সৎ ও উন্নয়নে বিশ্বাসী নেতাকে আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। তাদের কাছে তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা তুলে ধরছি। দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।

স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
১ দিন আগে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে ঘরের ভেতরে রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
২ দিন আগে
লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দইখাওয়া বিওপির একটি টহলদল সীমান্তে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনতে পায়। পরে সীমান্ত পিলার ৯০২-এর কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রনি মিয়াকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
৩ দিন আগে