
যশোর প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূ (৩৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে অভিযুক্তদের নিয়ে সালিশ করেন মাতবররা। অভিযুক্তদের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে ঘটনাটি মিটমাট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা
গত মঙ্গলবার (১ জুলাই) শার্শা উপজেলা উলাশী ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামে ঘটে গণধর্ষণের ঘটনাটি। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে এ নিয়ে সালিশ হয় এলাকায়।
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওই গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে আমজেদ আলী (৪৮), আক্তারের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৮) ও টুকুর ঘরজামাই সিরাজ (৪৮) পলাতক রয়েছে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গৃহবধূর স্বামী অন্য শহরে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রতিবেশী আকতারের ছেলে আব্দুল্লাহ প্রায় সময় ওই গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করত। গত মঙ্গলবার স্বামী বাড়িতে না থাকা অবস্থায় গৃহবধূকে একা পেয়ে আমজেদ ও সিরাজকে সঙ্গে নিয়ে আব্দুল্লাহ ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।
এ ঘটনার পর এলাকায় জানাজানি হলে নড়েচড়ে বসেন স্থানীয় মাতবররা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি নিয়ে গ্রামে সালিশ বসানো হয়। সালিশে কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আদুল হোসেন, আব্দুল আহাদ ও আকবার আলী নেতৃত্ব দেন। সালিশের একপর্যায়ে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত তিনজনকে মারধর করা হয়। তাদের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা জরিমান আদায় করেন মাতবররা।
কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আদুল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনে এলাকাবাসীর অনুরোধে সালিশি বৈঠক করা হয়েছে। তবে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানতে পেরে ওই গৃহবধূকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যশোরের শার্শায় দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূ (৩৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে অভিযুক্তদের নিয়ে সালিশ করেন মাতবররা। অভিযুক্তদের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে ঘটনাটি মিটমাট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা
গত মঙ্গলবার (১ জুলাই) শার্শা উপজেলা উলাশী ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামে ঘটে গণধর্ষণের ঘটনাটি। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে এ নিয়ে সালিশ হয় এলাকায়।
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওই গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে আমজেদ আলী (৪৮), আক্তারের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৮) ও টুকুর ঘরজামাই সিরাজ (৪৮) পলাতক রয়েছে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গৃহবধূর স্বামী অন্য শহরে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রতিবেশী আকতারের ছেলে আব্দুল্লাহ প্রায় সময় ওই গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করত। গত মঙ্গলবার স্বামী বাড়িতে না থাকা অবস্থায় গৃহবধূকে একা পেয়ে আমজেদ ও সিরাজকে সঙ্গে নিয়ে আব্দুল্লাহ ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।
এ ঘটনার পর এলাকায় জানাজানি হলে নড়েচড়ে বসেন স্থানীয় মাতবররা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি নিয়ে গ্রামে সালিশ বসানো হয়। সালিশে কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আদুল হোসেন, আব্দুল আহাদ ও আকবার আলী নেতৃত্ব দেন। সালিশের একপর্যায়ে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত তিনজনকে মারধর করা হয়। তাদের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা জরিমান আদায় করেন মাতবররা।
কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আদুল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনে এলাকাবাসীর অনুরোধে সালিশি বৈঠক করা হয়েছে। তবে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানতে পেরে ওই গৃহবধূকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
১ দিন আগে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে ঘরের ভেতরে রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
২ দিন আগে
লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দইখাওয়া বিওপির একটি টহলদল সীমান্তে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনতে পায়। পরে সীমান্ত পিলার ৯০২-এর কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রনি মিয়াকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
৩ দিন আগে