
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা-১ (দাকোপ ও বটিয়াঘাটা) আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খানের কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কৃষ্ণ নন্দী। এবারের নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত একমাত্র হিন্দু প্রার্থী ছিলেন তিনি।
এ আসনে বিএনপির আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট। আর জামায়াত প্রার্থী কৃঞ্চ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট। দুজনের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান প্রায় ৫১ হাজার।
রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খুলনার এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ১০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ২৮৫, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৪ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
এর আগে ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন আমীর এজাজ খান। সেবার আওয়ামী লীগ প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাসের কাছে ৩১ হাজার ভোটে হেরে যান তিনি।
এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হন এজাজ। সেবার তিনি হেরে যান আওয়ামী লীগের আরেক প্রার্থী ননি গোপাল মন্ডলের কাছে। ভোটের ব্যবধান ছিল প্রায় ৫২ হাজার। তৃতীয়বারের চেষ্টায় এবার বিএনপির টিকিটেই সংসদে ঢুকতে যাচ্ছেন এজাজ খান।

খুলনা-১ (দাকোপ ও বটিয়াঘাটা) আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খানের কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কৃষ্ণ নন্দী। এবারের নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত একমাত্র হিন্দু প্রার্থী ছিলেন তিনি।
এ আসনে বিএনপির আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট। আর জামায়াত প্রার্থী কৃঞ্চ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট। দুজনের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান প্রায় ৫১ হাজার।
রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খুলনার এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ১০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ২৮৫, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৪ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
এর আগে ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন আমীর এজাজ খান। সেবার আওয়ামী লীগ প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাসের কাছে ৩১ হাজার ভোটে হেরে যান তিনি।
এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হন এজাজ। সেবার তিনি হেরে যান আওয়ামী লীগের আরেক প্রার্থী ননি গোপাল মন্ডলের কাছে। ভোটের ব্যবধান ছিল প্রায় ৫২ হাজার। তৃতীয়বারের চেষ্টায় এবার বিএনপির টিকিটেই সংসদে ঢুকতে যাচ্ছেন এজাজ খান।

বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, এক লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাবুল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট।
৭ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এর মধ্যে একটি আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলের জামায়াত প্রার্থী, একটিতে এনসিপি প্রার্থী। বাকি একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নিজ দলেরই ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’।
১৫ ঘণ্টা আগে