
নড়াইল প্রতিনিধি

বিনম্র শ্রদ্ধা ও নানা আয়োজনে নড়াইলের বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শহিদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও সশস্ত্র সালাম প্রদর্শন করা হয়। ছিল আরও নানা আয়োজন।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের নূর মোহাম্মদ নগরে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাষ্ট ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে কোরআনখানি, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জীবনী ও কর্ম সম্পর্কে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বীরের স্মৃতিসৌধে অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এ সময় পুলিশের একটি চৌকস বাহিনী রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গার্ড অব অনার দেয়।
এর আগে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর চত্বর থেকে শোক শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. নুর ই আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জুলিয়া সুখায়না, এসি ল্যান্ড দেবাশীষ বিশ্বাসসহ পুলিশ প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সদর উপজেলা প্রশাসন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাষ্ট, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মহাবিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে (বর্তমান নূর মোহাম্মদ নগরে) জন্মগ্রহণ করেন।
বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্যকালেই মা-বাবাকে হারান তিনি। ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি যোগ দেন পূর্বপাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর)। বর্তমানে এই বাহিনী ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
এই বাহিনীতে দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন নূর মোহাম্মদ শেখ। পরে ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পান।
১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার ছুটিপুরের গোয়ালহাটি পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে প্রাণ হারান এই অকুতোভয় যোদ্ধা। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদের তিন মেয়ে ও এক ছেলে নড়াইল ও যশোর শহরে বসবাস করেন। ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৮০) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও নানা আয়োজনে নড়াইলের বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শহিদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও সশস্ত্র সালাম প্রদর্শন করা হয়। ছিল আরও নানা আয়োজন।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের নূর মোহাম্মদ নগরে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাষ্ট ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে কোরআনখানি, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জীবনী ও কর্ম সম্পর্কে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বীরের স্মৃতিসৌধে অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এ সময় পুলিশের একটি চৌকস বাহিনী রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গার্ড অব অনার দেয়।
এর আগে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর চত্বর থেকে শোক শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. নুর ই আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জুলিয়া সুখায়না, এসি ল্যান্ড দেবাশীষ বিশ্বাসসহ পুলিশ প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সদর উপজেলা প্রশাসন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাষ্ট, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মহাবিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে (বর্তমান নূর মোহাম্মদ নগরে) জন্মগ্রহণ করেন।
বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্যকালেই মা-বাবাকে হারান তিনি। ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি যোগ দেন পূর্বপাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর)। বর্তমানে এই বাহিনী ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
এই বাহিনীতে দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন নূর মোহাম্মদ শেখ। পরে ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পান।
১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার ছুটিপুরের গোয়ালহাটি পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে প্রাণ হারান এই অকুতোভয় যোদ্ধা। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদের তিন মেয়ে ও এক ছেলে নড়াইল ও যশোর শহরে বসবাস করেন। ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৮০) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে