
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে দুইটি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী। সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগর থেকে তাদের আটক করা হয়।
নৌ বাহিনী জানায়, নিয়মিত টহলের সময় গভীর সাগরে বাংলাদেশের সীমানার প্রায় ৭৭ নটিক্যাল মাইল অভ্যন্তরে ভারতীয় বেশ কয়েকটি ট্রলার মাছ ধরছিল। নৌ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু ট্রলার পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামের দুটি ট্রলারসহ ৩৪ জেলেকে আটক করা হয়।
আটকদের দ্বিগরাজ নৌঘাঁটিতে এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক ট্রলার দুটিতে কয়েক শ কেজি সামুদ্রিক মাছ রয়েছে, যার মধ্যে ইলিশও রয়েছে বলে জানানো হয়। এসব মাছ নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।
মোংলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, প্রতি বছর ইলিশ মৌসুম এলেই ভারতীয় জেলেদের দ্বারা সীমান্ত লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মোংলা থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান জানান, আটক জেলেদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জলসীমায় মাদক, জলদস্যুতা, চোরাচালান ও অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধে নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে দুইটি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী। সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগর থেকে তাদের আটক করা হয়।
নৌ বাহিনী জানায়, নিয়মিত টহলের সময় গভীর সাগরে বাংলাদেশের সীমানার প্রায় ৭৭ নটিক্যাল মাইল অভ্যন্তরে ভারতীয় বেশ কয়েকটি ট্রলার মাছ ধরছিল। নৌ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু ট্রলার পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামের দুটি ট্রলারসহ ৩৪ জেলেকে আটক করা হয়।
আটকদের দ্বিগরাজ নৌঘাঁটিতে এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক ট্রলার দুটিতে কয়েক শ কেজি সামুদ্রিক মাছ রয়েছে, যার মধ্যে ইলিশও রয়েছে বলে জানানো হয়। এসব মাছ নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।
মোংলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, প্রতি বছর ইলিশ মৌসুম এলেই ভারতীয় জেলেদের দ্বারা সীমান্ত লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মোংলা থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান জানান, আটক জেলেদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জলসীমায় মাদক, জলদস্যুতা, চোরাচালান ও অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধে নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে