
রাজশাহী ব্যুরো

ঢাকা, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির ব্যানারে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু হয়। এ উপলক্ষে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কর্মসূচি শেষে তারা হাসপাতালের পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন।
স্মারকলিপিতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে একাধিক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— রোগীর সঙ্গে আগত অতিরিক্ত স্বজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা, অ্যাটেনডেন্ট কার্ড ছাড়া বহিরাগতদের হাসপাতালে প্রবেশ বন্ধ, প্রতিটি ভর্তি ওয়ার্ডে ২৪ ঘণ্টা আনসার মোতায়েন, দায়িত্বে অবহেলাকারী আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা, পুলিশ ও আনসারের সমন্বয়ে ‘র্যাপিড রেসপন্স টিম’ গঠন, পূর্ববর্তী হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালবিরোধী অপপ্রচার বন্ধে আইনগত পদক্ষেপ।
মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতিনিধি ডা. তানভীর আহমেদ তৌকির বলেন, চিকিৎসকদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মস্থলে ফিরবেন না বলে জানান তিনি।
ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. নাসরুল্লাহ শেখ বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ অনিরাপদ হয়ে পড়ায় চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কর্মসূচি আরও কঠোর হবে।
এদিকে কর্মবিরতির কারণে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। চিকিৎসক সংকটের কারণে জরুরি ও বহির্বিভাগে সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
রাজশাহীর পবা উপজেলার বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, সকাল থেকে জরুরি বিভাগে অবস্থান করলেও চিকিৎসকের দেখা পাননি। শুধু নার্সদের মাধ্যমে প্রাথমিক সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নাটোরের বড়াইগ্রাম থেকে আসা রোগী শাহিনা বেগম বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে চিকিৎসা না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, ইন্টার্নদের কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসক সংকট তৈরি হয়েছে। তবে মিড ও সিনিয়র চিকিৎসকদের মাধ্যমে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে।

ঢাকা, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির ব্যানারে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু হয়। এ উপলক্ষে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কর্মসূচি শেষে তারা হাসপাতালের পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন।
স্মারকলিপিতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে একাধিক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— রোগীর সঙ্গে আগত অতিরিক্ত স্বজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা, অ্যাটেনডেন্ট কার্ড ছাড়া বহিরাগতদের হাসপাতালে প্রবেশ বন্ধ, প্রতিটি ভর্তি ওয়ার্ডে ২৪ ঘণ্টা আনসার মোতায়েন, দায়িত্বে অবহেলাকারী আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা, পুলিশ ও আনসারের সমন্বয়ে ‘র্যাপিড রেসপন্স টিম’ গঠন, পূর্ববর্তী হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালবিরোধী অপপ্রচার বন্ধে আইনগত পদক্ষেপ।
মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতিনিধি ডা. তানভীর আহমেদ তৌকির বলেন, চিকিৎসকদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মস্থলে ফিরবেন না বলে জানান তিনি।
ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. নাসরুল্লাহ শেখ বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ অনিরাপদ হয়ে পড়ায় চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কর্মসূচি আরও কঠোর হবে।
এদিকে কর্মবিরতির কারণে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। চিকিৎসক সংকটের কারণে জরুরি ও বহির্বিভাগে সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
রাজশাহীর পবা উপজেলার বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, সকাল থেকে জরুরি বিভাগে অবস্থান করলেও চিকিৎসকের দেখা পাননি। শুধু নার্সদের মাধ্যমে প্রাথমিক সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নাটোরের বড়াইগ্রাম থেকে আসা রোগী শাহিনা বেগম বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে চিকিৎসা না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, ইন্টার্নদের কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসক সংকট তৈরি হয়েছে। তবে মিড ও সিনিয়র চিকিৎসকদের মাধ্যমে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে।

দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষা শেষে তারেক রহমানের আগমনে উৎসবের জনপদে পরিণত হয়েছে আধ্যাত্মিক নগরী সিলেট। আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় যোগ দিতে ভোর থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন আর মিছিলের স্রোতে মিশেছে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা কেবল নয়, সুনামগঞ্জসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকেও আলিয়া মাদরাসা মাঠে আসতে থাকেন নেতাকর্মীরা। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ভোর থেকেই তারা মাঠে জড়ো হতে থাকেন। নেতাকর্মীদের হাতে দলীয় পতাকার পাশাপাশি রয়েছে ধানের শীষের প্রতিকৃতি এবং তারেক রহমানের ছবিসংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন।
১১ ঘণ্টা আগে
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পৌঁছান তারেক রহমান। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সেখানকাত কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
১ দিন আগে
আজ বুধবার বিকেল থেকেই মঞ্চের সামনে উৎসাহী নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা যায়। এদিকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ বিএনপির সবধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। তারেক রহমানের আগমন ঘিরে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আজও নগরীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যো
১ দিন আগে