
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী বা চাঁদাবাজকে আইনের বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সন্ত্রাস ও মাদক দমনে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে চিরতরে মব কালচার নির্মূলেও সরকার কঠোর।
আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজারে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী বা সংঘবদ্ধ ক্রিমিনালকে ছাড় দেওয়া হবে না। সারা দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রমজান মাসের পরপরই সরকার এই অভিযান শুরু করবে। গতকাল রাতে ও আজকেও চট্টগ্রামে একটি বড় ধরনের যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সুশাসন নিশ্চিত করতে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকেই কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে মব বলছে। তবে মবকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দিচ্ছে না সরকার। মব বন্ধে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, সারা দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রমজান মাসের পরপরই সরকার এই অভিযান শুরু করবে।
হাদি হত্যা মামলার দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তাঁদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার কাজ করছে। এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আসামি হস্তান্তর বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় যে চুক্তি রয়েছে, সে চুক্তি অনুযায়ী শিগগির তাঁদের ফেরত আনা যাবে।
মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ রুট দিয়ে মাদক চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। পুলিশ, বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে সমন্বিতভাবে এ বিষয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে আমাদের এই রুটগুলোকে কঠোর নজরদারিতে আনতে হবে।’
এ ছাড়া কক্সবাজার শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কক্সবাজারের তিন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরী, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী বা চাঁদাবাজকে আইনের বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সন্ত্রাস ও মাদক দমনে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে চিরতরে মব কালচার নির্মূলেও সরকার কঠোর।
আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজারে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী বা সংঘবদ্ধ ক্রিমিনালকে ছাড় দেওয়া হবে না। সারা দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রমজান মাসের পরপরই সরকার এই অভিযান শুরু করবে। গতকাল রাতে ও আজকেও চট্টগ্রামে একটি বড় ধরনের যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সুশাসন নিশ্চিত করতে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকেই কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে মব বলছে। তবে মবকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দিচ্ছে না সরকার। মব বন্ধে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, সারা দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রমজান মাসের পরপরই সরকার এই অভিযান শুরু করবে।
হাদি হত্যা মামলার দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তাঁদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার কাজ করছে। এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আসামি হস্তান্তর বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় যে চুক্তি রয়েছে, সে চুক্তি অনুযায়ী শিগগির তাঁদের ফেরত আনা যাবে।
মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ রুট দিয়ে মাদক চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। পুলিশ, বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে সমন্বিতভাবে এ বিষয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে আমাদের এই রুটগুলোকে কঠোর নজরদারিতে আনতে হবে।’
এ ছাড়া কক্সবাজার শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কক্সবাজারের তিন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরী, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১৮ ঘণ্টা আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
১ দিন আগে