
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। এতে নদীর পারে অসময়ে শুরু হয়েছে ভাঙন। গত বছর নদীর ভাঙনের পর যেটুক ভূমি ছিল, সেটুকুও এবার ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিছু এলাকায় ভাঙন শুরুও হয়েছে। বারবার দাবি জানিয়েও বাঁধ না পাওয়ায় বছর বছর এমন ভাঙনে সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় চরম হতাশা আর আতঙ্কে এখন দিন কাটছে যমুনাপারের বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ভূঞাপুরের জিগাতলা গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। সেখানে এবার স্থানীয়রা ভুট্টা, তিল, বাদাম, বোরো ধান ও পাটসহ অন্যান্য ফসল আবাদ করেছিলেন। এ ছাড়াও রামপুর, গোপীনাথপুর, বাসুদেবকোল এলাকার চিত্রও একই।
গত বছরের মত এ বছরও উপজেলার চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ীসহ কয়েকটি এলাকায় ভাঙনের শঙ্কা রয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন নদীপারের মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বার বার আশ্বাস দিলেও বাঁধের কাজ শুরু হচ্ছে না।

বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙতে শুরু করেছে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা। ছবি: রাজনীতি ডটকম
এদিকে প্রতি বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা বাঁধের জিওব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে মাটি ধসে যাচ্ছে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধপাকা সড়ক, গাইড বাঁধ, বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোট-বড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে পড়ছে।
জিগাতলা গ্রামের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, এখান থেকে প্রতি বছর অবৈধভাবে বালু তোলা হতো। ওই সময় কেউ প্রতিবাদ করতে পারত না, প্রতিবাদ করলে তাদের হুমকি দেওয়া হতো। এ প্রভাবেই এখন গোটা এলাকা ভাঙনের মুখে রয়েছে।
তারা আরও বলছেন, যমুনা নদীতে কয়েক সপ্তাহ ধরে পানি বাড়ছে। এতে কিছু কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফসলি জমির সঙ্গে তাদের ঘরবাড়িও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

যে এলাকায় নদী ভাঙছে, তার পাঁচ থেকে ছয় শ মিটারের মধ্যেই রয়েছে বসতি। ছবি: রাজনীতি ডটকম
টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শামীম মিয়া বলেন, ভূঞাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী ভূমি কমিশনারের সঙ্গে তিনি ভাঙন কবলিত জিগাতলা এলাকা পরিদর্শন করেছেন। যেসব জায়গায় ভাঙন শুরু হয়েছে তার থেকে পাঁচ-ছয় শ মিটার দূরেই ঘরবাড়ি রয়েছে। এলাকাটি মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
জানতে চাইলে ভূঞাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু আবদুল্লাহ খান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তারা প্রয়োজনে জিও ব্যাগ ফেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। এতে নদীর পারে অসময়ে শুরু হয়েছে ভাঙন। গত বছর নদীর ভাঙনের পর যেটুক ভূমি ছিল, সেটুকুও এবার ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিছু এলাকায় ভাঙন শুরুও হয়েছে। বারবার দাবি জানিয়েও বাঁধ না পাওয়ায় বছর বছর এমন ভাঙনে সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় চরম হতাশা আর আতঙ্কে এখন দিন কাটছে যমুনাপারের বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ভূঞাপুরের জিগাতলা গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। সেখানে এবার স্থানীয়রা ভুট্টা, তিল, বাদাম, বোরো ধান ও পাটসহ অন্যান্য ফসল আবাদ করেছিলেন। এ ছাড়াও রামপুর, গোপীনাথপুর, বাসুদেবকোল এলাকার চিত্রও একই।
গত বছরের মত এ বছরও উপজেলার চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ীসহ কয়েকটি এলাকায় ভাঙনের শঙ্কা রয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন নদীপারের মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বার বার আশ্বাস দিলেও বাঁধের কাজ শুরু হচ্ছে না।

বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙতে শুরু করেছে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা। ছবি: রাজনীতি ডটকম
এদিকে প্রতি বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা বাঁধের জিওব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে মাটি ধসে যাচ্ছে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধপাকা সড়ক, গাইড বাঁধ, বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোট-বড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে পড়ছে।
জিগাতলা গ্রামের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, এখান থেকে প্রতি বছর অবৈধভাবে বালু তোলা হতো। ওই সময় কেউ প্রতিবাদ করতে পারত না, প্রতিবাদ করলে তাদের হুমকি দেওয়া হতো। এ প্রভাবেই এখন গোটা এলাকা ভাঙনের মুখে রয়েছে।
তারা আরও বলছেন, যমুনা নদীতে কয়েক সপ্তাহ ধরে পানি বাড়ছে। এতে কিছু কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফসলি জমির সঙ্গে তাদের ঘরবাড়িও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

যে এলাকায় নদী ভাঙছে, তার পাঁচ থেকে ছয় শ মিটারের মধ্যেই রয়েছে বসতি। ছবি: রাজনীতি ডটকম
টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শামীম মিয়া বলেন, ভূঞাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী ভূমি কমিশনারের সঙ্গে তিনি ভাঙন কবলিত জিগাতলা এলাকা পরিদর্শন করেছেন। যেসব জায়গায় ভাঙন শুরু হয়েছে তার থেকে পাঁচ-ছয় শ মিটার দূরেই ঘরবাড়ি রয়েছে। এলাকাটি মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
জানতে চাইলে ভূঞাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু আবদুল্লাহ খান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তারা প্রয়োজনে জিও ব্যাগ ফেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

রাজশাহীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের অভিযোগে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন এজাহার দায়ের করেন।
১ দিন আগে
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা।
১ দিন আগে
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১ দিন আগে