
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির প্রয়াত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী ও ছেলে নাসের খান চৌধুরী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তাদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
ময়মনসিংহের এ আসনটিতে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন নাসের খান চৌধুরী। তবে তার চাচাতো ভাই ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।
জানা গেছে, নাসের খান চৌধুরী বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং তার মা হাসিনা খান চৌধুরী ঢাকায় রয়েছেন। এ কারণে তাদের পক্ষে দলীয় নেতারা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
তবে একই পরিবারের মা ও ছেলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের ঘটনায় নান্দাইল সংসদীয় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের একাংশ বিষয়টিকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করলে কোনো কারণে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলে অপরজন নির্বাচনি মাঠে থাকতে পারেন। আবার উভয়ের মনোনয়ন বৈধ হলে শেষ পর্যন্ত একজন সরে দাঁড়িয়ে অন্যজনকে সমর্থন দিতে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মরহুম খুররম খান চৌধুরী নান্দাইলের রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। পাকিস্তান আমলে তিনি স্থানীয় সরকার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নান্দাইল আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পরে ১৯৮৮ সালে নান্দাইল আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ১৯৯১ সালে একই দলের হয়ে পাশের ঈশ্বরগঞ্জ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন খুররম খান চৌধুরী। ২০০১ সালে তিনি আবারও নান্দাইল আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের ধারণা, নান্দাইল আসনে খুররম খান চৌধুরীর একটি শক্ত ভোটব্যাংক রয়েছে। তার মৃত্যুর পর সেই ভোটব্যাংক মূলত ছেলে নাসের খান চৌধুরীর দিকেই থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোট ১৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির প্রয়াত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী ও ছেলে নাসের খান চৌধুরী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তাদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
ময়মনসিংহের এ আসনটিতে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন নাসের খান চৌধুরী। তবে তার চাচাতো ভাই ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।
জানা গেছে, নাসের খান চৌধুরী বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং তার মা হাসিনা খান চৌধুরী ঢাকায় রয়েছেন। এ কারণে তাদের পক্ষে দলীয় নেতারা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
তবে একই পরিবারের মা ও ছেলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের ঘটনায় নান্দাইল সংসদীয় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের একাংশ বিষয়টিকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করলে কোনো কারণে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলে অপরজন নির্বাচনি মাঠে থাকতে পারেন। আবার উভয়ের মনোনয়ন বৈধ হলে শেষ পর্যন্ত একজন সরে দাঁড়িয়ে অন্যজনকে সমর্থন দিতে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মরহুম খুররম খান চৌধুরী নান্দাইলের রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। পাকিস্তান আমলে তিনি স্থানীয় সরকার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নান্দাইল আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পরে ১৯৮৮ সালে নান্দাইল আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ১৯৯১ সালে একই দলের হয়ে পাশের ঈশ্বরগঞ্জ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন খুররম খান চৌধুরী। ২০০১ সালে তিনি আবারও নান্দাইল আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের ধারণা, নান্দাইল আসনে খুররম খান চৌধুরীর একটি শক্ত ভোটব্যাংক রয়েছে। তার মৃত্যুর পর সেই ভোটব্যাংক মূলত ছেলে নাসের খান চৌধুরীর দিকেই থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোট ১৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে