শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষককে মারধর, ৮ জনের নামে মামলা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।
ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

মারধরের ঘটনায় শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কর্মকার আদালতে মামলা করেছেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও চাঁদা দাবির জন্য মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সুজিৎ কর্মকার সোমবার (৮ জুন) বাদী হয়ে শরীয়তপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল হাসিব মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনাটি আলোচিত হয়েছে, আমরাও শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। আদালতে মামলা হয়েছে বলে শুনেছি। আদালতের আদেশ হাতে পেলে সে ‍অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে রোববার সকালে প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কর্মকার তার কর্মস্থল ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে গেলে কয়েকজন তরুণ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তাকে বাধা দেন। পরে তাকে মারধর করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে দেওয়া হয়। এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনার জন্ম দেয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সুজিৎ কর্মকার ২০১৩ সালে ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর আগে স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ হলে ওই পক্ষ তার বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার অভিযোগ তোলে। ২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়। ওই সময় থেকেই সুজিৎ কর্মকার বিদ্যালয়ে যাননি। রোববার তিনি বিদ্যালয়ে গেলেও মারধরের শিকার হয়ে আর ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement