
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে দুই সন্তানসহ এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পুবাইল রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মা ও তার দুই সন্তানের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ওই নারী তার দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে রেললাইনের ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় সামনে থেকে একটি ট্রেন আসতে দেখে ছেলেসন্তানটি বিপদ আঁচ করে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে।
তবে ওই নারী তাকে টেনে ধরে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়েই একসঙ্গে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই ওই নারী, তার এক ছেলে ও এক মেয়ের মৃত্যু হয়।
ঘটনার সময় রেললাইনের পাশে দায়িত্বে থাকা এক লাইনম্যান ট্রেন আসতে দেখে বাঁশি বাজিয়ে তাদের সতর্ক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনোভাবেই তারা রেললাইন থেকে সরে যাননি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার দুই সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ওই নারীর নাম হাফেজা খাতুন মালা (২৫)। তিনি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ নতুন সোমবাজার এলাকার মোজাম্মেল হকের মেয়ে। সঙ্গে থাকা দুই শিশু মালা বেগমের সন্তান বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেকেই হতবাক হয়ে পড়েন এবং ঘটনার পেছনের কারণ জানতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে পুবাইল থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, এক মা তার দুই সন্তান নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে।

গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে দুই সন্তানসহ এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পুবাইল রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মা ও তার দুই সন্তানের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ওই নারী তার দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে রেললাইনের ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় সামনে থেকে একটি ট্রেন আসতে দেখে ছেলেসন্তানটি বিপদ আঁচ করে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে।
তবে ওই নারী তাকে টেনে ধরে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়েই একসঙ্গে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই ওই নারী, তার এক ছেলে ও এক মেয়ের মৃত্যু হয়।
ঘটনার সময় রেললাইনের পাশে দায়িত্বে থাকা এক লাইনম্যান ট্রেন আসতে দেখে বাঁশি বাজিয়ে তাদের সতর্ক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনোভাবেই তারা রেললাইন থেকে সরে যাননি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার দুই সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ওই নারীর নাম হাফেজা খাতুন মালা (২৫)। তিনি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ নতুন সোমবাজার এলাকার মোজাম্মেল হকের মেয়ে। সঙ্গে থাকা দুই শিশু মালা বেগমের সন্তান বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেকেই হতবাক হয়ে পড়েন এবং ঘটনার পেছনের কারণ জানতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে পুবাইল থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, এক মা তার দুই সন্তান নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা
১৬ ঘণ্টা আগে
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বিপর্যস্ত কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইনে অবশেষে দেখা মিলেছে স্বস্তির রোদের। আর সেই রোদের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়ে ইতোমধ্যে পচতে শুরু করা ধান বাঁচাতে ‘নীরব যুদ্ধ’ চালিয়ে যাচ্ছেন গ্রামের নারীরা।
১৬ ঘণ্টা আগে
আটকরা হলেন– খাগাতোয়া গ্রামের মৃত গোলাম ওয়াহেদের ছেলে আব্দুল কাদির, নয়ন মিয়ার ছেলে রাহিম আহমেদ, মুসলেম মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান ওরফে অপু মিয়া, হুমায়ুন কবিরের ছেলে নুর আলম ওরফে নুরনবী ও জামাল মিয়ার স্ত্রী সানোয়ারা বেগম।
১ দিন আগে
ঝুঁকির মুখে পড়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও নির্মাণাধীন সড়ক। ইতোমধ্যে সড়কের কিছু অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। একই সঙ্গে হুমকির মুখে রয়েছে নবনির্মিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, বাঙালপাড়া বাজার এবং খালপাড়ের শতাধিক বসতভিটা।
২ দিন আগে