
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে আদর্শ ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপিটাল ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে চিকিৎসক ও হাসপাতালের স্টাফরা পলাতক রয়েছেন।
নিহত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দেলদুয়ার উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত আহমদ আলীর ছেলে আব্দুল হালিম (৭০)। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের আদর্শ ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবার জানায়, ঈদের দিন আব্দুল হালিম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পায়ের উপরের অংশে ভেঙে যায়। পরবর্তীতে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর তার হাই পেশার থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অপারেশন করতে পারেনি। পরে গত বুধবার পরিবারের সদস্যরা আদর্শ ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করায়। ভর্তির সময় অপারেশনের জন্য তাদের কাছে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে ২০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অপারেশন করার জন্য ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্ত দুই ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে জানানো হয় আব্দুল হালিম মারা গেছেন।
এদিকে মৃত্যুর পর রাতে জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ দফারফা করার জন্য বসেন। কিন্ত দীর্ঘ বৈঠকের পরেও কোন সমাধান হয়নি। পরে হাসপাতালে পুলিশ যায়। এ সময় চিকিৎসক ও স্টাফরা পালিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে- ক্লিনিকটির বৈধ কোনো কাগজ নেই।
আব্দুল হালিমের নাতনি সাদিয়া বলেন, সুস্থ অবস্থায় আমার দাদাকে ক্লিনিকে ভর্তি করি। ভর্তির সময় অপারেশনের জন্য আমাদের কাছে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। পরে আমরা ২০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করি। অপারেশন থেকে প্রায় ২ ঘণ্টা পর বের করে জানানো হয় মৃত্যু হয়েছে। আমরা এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না।
মৃত্যুর বিষয় নিয়ে দফারফা করতে আসা জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা বলেন, ওটিতে নেয়া পর্যন্ত রোগীর সাথে সম্পৃক্ত সকলের সাথে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানভীর আহমেদ বলেন, দুপুরের পর নিহতের স্ত্রী সাহারা বেগম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনার পর থেকে ক্লিনিক কর্র্তৃপক্ষ পলাতক রয়েছেন। তবে আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ায় ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হাসপাতালের কারো কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, ওই ক্লিনিকে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ শুনেছি। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া ক্লিনিকের এখন পর্যন্ত কোন বেধ লাইন্সেস নেই। তারা লাইন্সেসের জন্য আবেদন করেছেন। সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে লাইন্সেসের দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

টাঙ্গাইলে আদর্শ ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপিটাল ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে চিকিৎসক ও হাসপাতালের স্টাফরা পলাতক রয়েছেন।
নিহত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দেলদুয়ার উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত আহমদ আলীর ছেলে আব্দুল হালিম (৭০)। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের আদর্শ ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবার জানায়, ঈদের দিন আব্দুল হালিম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পায়ের উপরের অংশে ভেঙে যায়। পরবর্তীতে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর তার হাই পেশার থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অপারেশন করতে পারেনি। পরে গত বুধবার পরিবারের সদস্যরা আদর্শ ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করায়। ভর্তির সময় অপারেশনের জন্য তাদের কাছে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে ২০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অপারেশন করার জন্য ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্ত দুই ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে জানানো হয় আব্দুল হালিম মারা গেছেন।
এদিকে মৃত্যুর পর রাতে জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ দফারফা করার জন্য বসেন। কিন্ত দীর্ঘ বৈঠকের পরেও কোন সমাধান হয়নি। পরে হাসপাতালে পুলিশ যায়। এ সময় চিকিৎসক ও স্টাফরা পালিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে- ক্লিনিকটির বৈধ কোনো কাগজ নেই।
আব্দুল হালিমের নাতনি সাদিয়া বলেন, সুস্থ অবস্থায় আমার দাদাকে ক্লিনিকে ভর্তি করি। ভর্তির সময় অপারেশনের জন্য আমাদের কাছে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। পরে আমরা ২০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করি। অপারেশন থেকে প্রায় ২ ঘণ্টা পর বের করে জানানো হয় মৃত্যু হয়েছে। আমরা এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না।
মৃত্যুর বিষয় নিয়ে দফারফা করতে আসা জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা বলেন, ওটিতে নেয়া পর্যন্ত রোগীর সাথে সম্পৃক্ত সকলের সাথে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানভীর আহমেদ বলেন, দুপুরের পর নিহতের স্ত্রী সাহারা বেগম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনার পর থেকে ক্লিনিক কর্র্তৃপক্ষ পলাতক রয়েছেন। তবে আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ায় ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হাসপাতালের কারো কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, ওই ক্লিনিকে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ শুনেছি। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া ক্লিনিকের এখন পর্যন্ত কোন বেধ লাইন্সেস নেই। তারা লাইন্সেসের জন্য আবেদন করেছেন। সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে লাইন্সেসের দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে